কক্সবাজারে নিয়ম না মেনে হোটেল-রিসোর্ট

কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত ঘিরে হোটেল-রিসোর্ট-কটেজসহ গড়ে উঠেছে বহু স্থাপনা। অনেক স্থাপনা উঠেছে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায়। পরিবেশগত ছাড়পত্র ও অগ্নিনিরাপত্তা সনদ ছাড়াই চলছে বিভিন্ন হোটেল-রিসোর্ট-কটেজ। বিভিন্ন সংস্থা অনিয়ম চিহ্নিত করে নোটিশ দিচ্ছে। কিন্তু নির্মাণ ও ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে না। আগুনে পুড়ে যাওয়া টুপটুপ রিসোর্ট বন্ধ করতেও নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবু রিসোর্টটি ব্যবসা করে যাচ্ছিল। সরকারি সংস্থা, হোটেল মালিক সমিতি ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পাওয়া প্রাথমিক হিসাবে জেলায় সাত শতাধিক আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজে অগ্নিনিরাপত্তার ঘাটতিসহ নানা অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব নিয়ে ছবির গল্প।

প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় অনেক স্থাপনা গড়ে উঠেছে।
প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় অনেক স্থাপনা গড়ে উঠেছে।
কাঠ ও টিনের চালা দিয়ে কটেজ নির্মাণ করা হচ্ছে।
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের পাশে গড়ে উঠছে নতুন রিসোর্ট-কটেজ।
নতুন স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে।
পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া অনেক বিভিন্ন হোটেল-রিসোর্ট-কটেজ চলছে।
সৈকতের আশপাশে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন হোটেল-রিসোর্ট।
অনেক হোটেল-রিসোর্ট-কটেজের প্রয়োজনীয় সনদ নেই।
বিভিন্ন সংস্থা অনিয়ম চিহ্নিত করে নোটিশ দিচ্ছে। কিন্তু নির্মাণ ও ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে না।
বিভিন্ন সংস্থার নোটিশ সত্ত্বেও অবৈধ নির্মাণ ও ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে না।
সৈকতঘেঁষা এলাকায় পর্যটকদের থাকার জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে নতুন রিসোর্ট।