আবদুল্লাহপুর–টঙ্গী সড়ক নির্মাণ ঘিরে চরম দুর্ভোগ

রাজধানীর অন্যতম প্রবেশদ্বার আবদুল্লাহপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত ঢাকা–গাজীপুর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের সড়কে চলমান নির্মাণকাজ যেন নিত্যদিনের দুর্ভোগের আরেক নাম। খোঁড়াখুঁড়ি, নির্মাণসামগ্রী, সংকুচিত সড়ক, দখল ও বিশৃঙ্খল যান চলাচলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই সড়কে লেগে থাকে দীর্ঘ যানজট। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও জরুরি সেবার যানবাহন সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছে। বর্ষার পানিতে খানাখন্দ আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ধুলাবালি ও দখল হওয়া ফুটপাত পথচারীদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। ছবিতে উঠে এসেছে রাজধানীর ব্যস্ততম এই সড়কের নিত্যদিনের বাস্তবতা:

আবদুল্লাহপুরে একটি পাম্পের সামনে বেহাল সড়ক। ভাঙাচোরা রাস্তা ও যানজটে দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকেরা।
আবদুল্লাহপুরে একটি পাম্পের সামনে বেহাল সড়ক। ভাঙাচোরা রাস্তা ও যানজটে দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকেরা।
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা দীর্ঘ সময় ধরে যানবাহনের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন।
এক্সপ্রেসওয়ের ওপর নির্ধারিত স্থান ছাড়াই যাত্রী ওঠানামার কারণে বাড়ছে বিশৃঙ্খলা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
আশুলিয়া দিক থেকে আসা যানবাহনকে খানাখন্দে ভরা সড়ক পেরিয়ে আবদুল্লাহপুরে প্রবেশ করতে হচ্ছে।
বেহাল টঙ্গীর বেইলি সেতু। সংকীর্ণ এই অংশে প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট।
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের খোলা জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী দোকান। এতে পথচারীদের চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
আবদুল্লাহপুর এলাকার প্রতিদিনের চিত্র—ধীরগতির যানবাহন, গাড়ির দীর্ঘ সারি আর অসহনীয় যানজট।
সরু সড়ক আটকে যাত্রী তুলছে গণপরিবহন। এতে যান চলাচল আরও ব্যাহত হচ্ছে।
টঙ্গী বাজার এলাকায় নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচলে বাড়ছে যানজট ও বিশৃঙ্খলা।
নির্ধারিত ব্যবস্থা না থাকায় গাড়ি ওঠানামার র্যাম্প ব্যবহার করে ঝুঁকি নিয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠানামা করছেন যাত্রীরা।