ধ্বংসের মাঝে ‘আলো’র বার্তা

সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলার শিকার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো ভবন নিয়ে শৈল্পিক আয়োজন দিচ্ছে পুনর্জাগরণের বার্তা। আজ রোববার পঞ্চম দিনের মতো চলে ব্যতিক্রমী এ প্রদর্শনী। প্রথম আলোর আক্রান্ত ও অগ্নিদগ্ধ ভবন নিয়ে শিল্প-আয়োজন দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে এদিনও আসেন দর্শনার্থীরা। পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, ভাঙা আসবাব ও বইপত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। শিল্পী মাহ্‌বুবুর রহমানের তৈরি ‘আলো’ শীর্ষক এ প্রদর্শনী শুরু হয় ১৮ ফেব্রুয়ারি। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে ১টা এবং বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত। এই প্রদর্শনী চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বাবার সঙ্গে প্রদর্শনীতে রাজধানীর হলি ক্রস স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী ধ্রুপদী দাস রঙ। ঘুরে ঘুরে দেখে ধ্বংসের চিহ্ন।
বাবার সঙ্গে প্রদর্শনীতে রাজধানীর হলি ক্রস স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী ধ্রুপদী দাস রঙ। ঘুরে ঘুরে দেখে ধ্বংসের চিহ্ন।
বাংলাদেশে বসবাসরত যুক্তরাজ্যের নাগরিক গ্রেহাম জাড এসেছিলেন ‘আলো’ প্রদর্শনী দেখতে।
শুধু প্রদর্শনী দেখাই নয়, তা স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখেন কোনো কোনো দর্শনার্থী।
প্রদর্শনীতে দুই দর্শনার্থী, তাঁরা দেখছিলেন পুড়ে যাওয়া বই, নথিপত্র।
প্রথম আলো ভবনে শিল্প–আয়োজন ঘুরে দেখছেন দর্শনার্থীরা।
ধ্বংসযজ্ঞে চোখ আটক যায় যে কারও।
পুড়ে যাওয়া ভবন ঘুরে দেখছেন এক দর্শনার্থী।
প্রদর্শনী ঘুরে দেখছেন কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আনিসুল হক।
পুড়ে যাওয়া ভবনে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম দেখতে আসেন সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচীর প্রতিনিধিরা।