যেখানে দুধ কিনতে তিন বেলা লাইন

বগুড়া শহরের রহমাননগর কাজী খানা লেনের একটি খামারের সামনে সকাল, দুপুর ও বিকেলে দেখা যায় একই দৃশ্য। হাতে পাত্র নিয়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকেন ক্রেতারা। কেউ পরিবারের জন্য, কেউবা শিশুদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে দুধ কিনতে আসেন। কিন্তু চাহিদা এত বেশি যে অনেক সময় লাইনে দাঁড়িয়েও খালি হাতে ফিরতে হয় অনেককে। বগুড়া শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত এই খামারের নাম আবেদীন ডেইরি ফার্ম। ব্যক্তিমালিকানাধীন খামারটি নগরের প্রায় ৬০০ পরিবারের দুধের চাহিদা পূরণ করছে। খামারটিতে রয়েছে ২১৫টি গরু। এসব গরু থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় দেড় হাজার লিটার দুধ উৎপাদন হয়।

খামারের মালিক সামসুল আবেদীন (৬০)। স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি শুধু একজন সফল খামারি নন, বরং কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে অনুপ্রেরণার নাম। সামসুল আবেদীনের সাফল্য জাতীয় পর্যায়েও স্বীকৃতি পেয়েছে। সফল দুগ্ধ খামারি হিসেবে ২০০৫ সালে পেয়েছেন রাষ্ট্রপতি পদক। এর আগে ২০০০ সালে পান কৃষি পদক। সবশেষ ২০১৬ সালে পেয়েছেন জাতীয় যুব পুরস্কার।

আবেদীন ডেইরি ফার্মের ২১৫টি গরুর মধ্যে ১৭০টি গাভি, বাকি ৪৫টি বকনা
১১ জন নিয়মিত কর্মচারীসহ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে খামারে অন্তত ২০ জন মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে
গাভির দুধ দোহনের জন্য বালতি ধুয়ে নিচ্ছেন কর্মচারী
আবেদীন ডেইরি ফার্মে ২১ বছর ধরে কাজ করেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ওমর ফারুক (বাঁয়ে)। তাঁর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন আরও ২০ জন শ্রমিক
ক্রেতারাই তিন বেলা খামারের সামনে লাইন ধরে দুধ কিনে নিয়ে যান
চাহিদার তুলনায় খামারে দুধের উৎপাদন কম হওয়ায় ক্রেতা সামলাতে হিমশিম খেতে হয়
ক্রেতাদের কাছ থেকে দুধের দাম সংগ্রহ করছেন খামারের মালিক সামসুল আবেদীন
দুধ কেনার অপেক্ষা
দুধ দোহন করে কনটেইনারে ঢেলে রাখছেন এক কর্মচারী