সোনালি আঁশে কৃষকের হাসি

ফরিদপুর বরাবরই পাটের জন্য বিখ্যাত। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া ও খাল-বিলে পর্যাপ্ত পানি থাকায় জেলায় পাটের ফলন যেমন ভালো হয়েছে, তেমনি আঁশের রং ও মানও হয়েছে চমৎকার। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৮৭ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯৬ হাজার মেট্রিক টন। ফলনের পাশাপাশি বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় চাষিদের মুখে এখন স্বস্তির হাসি। মাঠ থেকে হাট—সবখানেই ব্যস্ত সময় কাটছে চাষি ও ব্যবসায়ীদের। ফরিদপুরের পাটের সোনালি দিন ও কৃষকের সেই আনন্দ নিয়ে এই ছবির গল্প।

উঠানে শুকানো পাটের আঁশ হাসিমুখে ঘরে তুলছেন এক গৃহবধূ
উঠানে শুকানো পাটের আঁশ হাসিমুখে ঘরে তুলছেন এক গৃহবধূ
সড়কের দুই পাশে রোদে শুকাতে দেওয়া হয়েছে সদ্য ছাড়ানো পাটের আঁশ
ভালো পাটের আঁশের খোঁজে সরাসরি কৃষকের বাড়ি চলে এসেছেন ব্যবসায়ীরা। চলছে দরদাম ও কেনাবেচা
পাট জাগ দেওয়ার পর আঁশ ছাড়ানোর কাজ শেষ। শুকানোর জন্য ভেজা পাটের আঁশগুলো একত্র করে বোঝা বাঁধছেন এক কৃষক
পাটের আঁশ ভ্যানে সাজিয়ে নিচ্ছে দুই শ্রমিক
রোদে শুকানোর কাজ শেষ। সোনালি আঁশ ভ্যানে বোঝাই করে বাড়ি ফিরছেন এক কৃষক
সাপ্তাহিক হাটে ভ্যানভর্তি পাটের আঁশ নিয়ে এসেছেন কৃষকেরা
হাটে চলছে পাটের আঁশের ওজন মাপার কাজ
হাট থেকে পাটের আঁশ কিনে নছিমনে বোঝাই করে গুদামে আনা হচ্ছে