রুপার পাঠশালা

রুপা খাতুনের পড়াশোনায় বাদ সেধেছিল দারিদ্র্য। দশম শ্রেণির পর আর এগোয়নি প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যা। এরপর তাঁর বিয়েও হয়ে যায়। পরে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে (এনজিও) কিছুদিন কাজ করেছিলেন। সেখানে চাকরি চলে গেলে শিশুদের নিয়ে খুলে বসেন একটি পাঠশালা। এলাকার মন্দিরের বারান্দায় অক্ষরজ্ঞান দেন তাদের। বেতন নেন জনপ্রতি ১৫০ টাকা। এই বেতনই রুপার পরিবারের আয়ের বড় একটি অংশ। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় লাইন বিল পাবলা গ্রামে রুপার সেই পাঠশালার ছবিগুলো তুলেছেন সাদ্দাম হোসেন।

মন্দিরের বারান্দায় পড়াচ্ছেন রুপা খাতুন।
মন্দিরের বারান্দায় পড়াচ্ছেন রুপা খাতুন।
বারান্দার উঁচু গাঁথুনির ওপর একমনে বই পড়ছে শিশুটি।
শিশুদের পড়া দেখিয়ে দিচ্ছেন রুপা।
এবার শিক্ষার্থীদের পড়া নেওয়ার পালা।
বই হাতে দাঁড়িয়ে এক শিশু।
অক্ষরের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে শিশুটি।
নিবিড় মনে অক্ষর লেখা।
শিশুদের সঙ্গে আসেন অভিভাবকেরাও।
ছুটির পর স্কুলব্যাগ কাঁধে এক শিশু।
পড়া শেষে অভিভাবকের হাত ধরে বাড়ি ফেরা।