চাঁইয়ের হাটে জমজমাট বেচাকেনা

বর্ষা এলেই গ্রামবাংলার খাল-বিল ও নদী-নালায় মাছ ধরার ব্যস্ততা বাড়ে; আর এই মাছ ধরার অন্যতম প্রাচীন ও পরিচিত উপকরণ হলো বাঁশ-কঞ্চি দিয়ে তৈরি ‘চাঁই’। বরিশালের আটঘরের সাপ্তাহিক হাটে এখন সারি সারি চাঁইয়ের পসরা। চলছে জমজমাট বেচাকেনা। ক্রেতারা প্রয়োজন অনুযায়ী দরদাম করে চাঁই কিনছেন। আকার ও মানভেদে প্রতি জোড়া চাঁই বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায়। এ ছাড়া চাঁইয়ের সঙ্গে ব্যবহৃত বাঁশের ‘গড়া’ মিলছে ৩০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। কেবল মাছ ধরাই নয়, বাঁশের তৈরি এই চাঁইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে গ্রামীণ জীবনের পুরোনো ঐতিহ্য, জীবিকা ও বর্ষাকেন্দ্রিক লোকজ সংস্কৃতি।

হাট থেকে কেনা চাঁই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় তুলছেন এক ক্রেতা।
 হাট থেকে কেনা চাঁই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় তুলছেন এক ক্রেতা।
বিক্রির জন্য সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বাঁশের তৈরি চাঁই ও গড়া।
মাছ ধরার ফাঁদের সঙ্গে ব্যবহারের জন্য রাখা আছে বাঁশের তৈরি গড়া।
হাটজুড়েই দেখা মেলে নানা আকারের চাঁইয়ের।
হাটের রাস্তার দুই পাশে বিক্রির অপেক্ষায় সাজানো চাঁইয়ের পসরা।
নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী চাঁই বেছে নিচ্ছেন ক্রেতারা।
ব্যাটারিচালিত ভ্যানে একটি নৌকা ও নতুন কেনা চাঁই তুলেছেন এক ক্রেতা।
বিক্রির আগে চাঁইয়ের বাঁধন ঠিকঠাক করে নিচ্ছেন এক বিক্রেতা।
কেনাকাটা শেষে নৌকাভর্তি চাঁই নিয়ে বাড়ির পথে দুই ব্যক্তি।
চাঁইয়ের পসরা সাজিয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় বসে আছেন বিক্রেতারা।