ডিগবাজি দিতে ওস্তাদ রাজশাহী গিরিবাজ

অনেক উঁচুতে ওড়ার জন্য পরিচিত গিরিবাজ কবুতর। এর মধ্যে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে স্থানীয়ভাবে রাজশাহী গিরিবাজের বেশ নামডাক। স্থানীয় কয়েকজন কবুতর পালনকারীর ভাষ্য, রাজশাহীর গিরিবাজের ওড়ার গতি অনন্য। দূর আকাশে ডিগবাজি দেওয়ার দক্ষতা আছে এদের। তাই এ জাতের প্রতি হাটে আসা কবুতরপ্রেমীদের আগ্রহ বেশি। এ ছাড়া হাটটিতে দেশি জাতের কবুতর, লাহোরি সিরাজি, লাক্ষ্ণা, সাটিং, জালালি, লোটন ও বোম্বাই গোবিন্দ জাতের কবুতর বেচাকেনা হয়। বগুড়ার নবগঠিত উপজেলার দাঁড়িদহ হাটে কবুতর বিক্রির ছবি নিয়ে ছবির গল্প

দাড়িদহ আমিনীয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা মাঠে প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বসে বিভিন্ন জাতের কবুতর বিকিকিনির হাট।
দাড়িদহ আমিনীয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা মাঠে প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বসে বিভিন্ন জাতের কবুতর বিকিকিনির হাট।
এক জোড়া রাজশাহী গিরিবাজ কবুতর দেখিয়ে ক্রেতা আকর্ষণের চেষ্টা করছেন বিক্রেতা আকাশ শেখ।
রাজশাহী গিরিবাজ কবুতরের ডানাগুলো হয় সুঠাম। এই পাখির জোড়া বিক্রি হয় ৪০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকায়।
জাতভেদে রাজশাহী গিরিবাজ কবুতরের চোখের মণি মুক্তার মতো সাদা বা লালচে হয়।
খাঁচা থেকে বেরিয়ে গেছে একটি কবুতর।
কবুতরকে খাবার দিচ্ছেন এক বিক্রেতা।
সাটিং জাতের কবুতর দেখিয়ে ক্রেতা আকর্ষণের চেষ্টায় এক বিক্রেতা। দাম হাঁকা হচ্ছে দেড় হাজার টাকা।
কবুতরের বাচ্চাও বিক্রি হয় হাটটিতে।
হাটে ছিল সাদা ধবধবে লাক্ষ্ণা জাতের কবুতর।