একসময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ ও শনির আখড়া এলাকার বৃষ্টির পানি কুতুবখালী খাল হয়েই গিয়ে পড়ত শীতলক্ষ্যা ও বালু নদে। নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং প্রাকৃতিক পানিপ্রবাহ বজায় রাখতে খালটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। কিন্তু দখল, দূষণ ও অব্যবস্থাপনায় খালটি আজ অস্তিত্ব সংকটে। খালের দুই তীরে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। কোথাও দোকান, কোথাও ঘরবাড়ি, আবার কোথাও ফেলা হচ্ছে নির্মাণবর্জ্য। খালের ভেতর জমে আছে প্লাস্টিক, পলিথিন ও গৃহস্থালি আবর্জনা। কালো পানির ওপর ভাসছে ময়লার স্তর, ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) মাঝেমধ্যে খালটি পরিষ্কার করে। তবে স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, পরিষ্কারের কিছুদিন পরই খালটি আগের রূপে ফেরে। তদারকির অভাব, সচেতনতার ঘাটতি এবং অব্যাহত দখল-দূষণে স্থায়ী কোনো সমাধান মিলছে না।
