স্থাপনার কারণে বদলে যাচ্ছে ওসমানী উদ্যান

সবুজের চাদর সরিয়ে রাজধানী ঢাকার ওসমানী উদ্যানে এখন শুধুই কংক্রিটের দাপট। প্রায় ১০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই উদ্যানে একের পর এক গড়ে তোলা হয়েছে নানা স্থাপনা। উদ্যানটিতে খাবারের দোকান, নগর জাদুঘর, গ্রন্থাগারসহ গড়ে উঠেছে বিভিন্ন অবকাঠামো। নতুন করে যুক্ত হয়েছে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ, জাতীয় ইতিহাসের নানা অধ্যায় নিয়ে তৈরি ভাস্কর্য ও বিশেষ ফটক। তবে এই বিপুল উন্নয়নের মধ্যেও উদ্যানের জলাশয়গুলো এখন কচুরিপানা আর ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়। অন্যদিকে স্থাপনা তৈরির নামে নির্বিচারে গাছ কাটায় উদ্যানের স্বাভাবিক সবুজ পরিবেশ বিপন্ন হয়ে পড়েছে। তথাকথিত উন্নয়ন আর প্রকৃতি ধ্বংসের এই বৈপরীত্যের চিত্র উঠে এসেছে ছবিতে।

উদ্যানের দুই নম্বর জলাশয়টি এখন খুদে পানায় ভরে গেছে
উদ্যানের দুই নম্বর জলাশয়টি এখন খুদে পানায় ভরে গেছে
১০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে উদ্যানজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে নানা অবকাঠামো। এর মধ্যে রয়েছে খাবারের দোকান, নগর জাদুঘর ও গ্রন্থাগারের মতো স্থাপনা
উদ্যানের ঠিক মাঝখানে গড়ে তোলা হয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিসংবলিত কংক্রিটের কাঠামো
উদ্যানে প্রবেশের জন্য ইংরেজি ‘২৪’ সংখ্যার আদলে তৈরি করা হয়েছে দুটি ফটক
৯০ ফুট উচ্চতার ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের’ নির্মাণকাজ এখন শেষ পর্যায়ে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে শুরু হওয়া এই স্মৃতিস্তম্ভে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের নাম খচিত রয়েছে
উদ্যানে নির্মাণ করা হয়েছে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের গৌরবগাথা নিয়ে তৈরি বিশেষ ভাস্কর্য
ওসমানী উদ্যানের বহু গাছ কেটে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে বড় বড় স্থাপনা