কৃষক শাহিন আকন্দের মাঠে এখন বোরো ধান, পাট ও ভুট্টা রয়েছে। সেচযন্ত্র চালাতে দিনে তার প্রয়োজন প্রায় ২০ লিটার ডিজেল। সেখানে পেয়েছেন ৫০০ টাকার, অর্থাৎ ৫ লিটারের কম। এই তেল কিনতে এসে নদীতে নৌকা ও যানবাহনের ভাড়া পড়েছে ২০০ টাকা। তেলের ড্রাম নিয়ে চিন্তায় বসে পড়েছেন শাহিন। শাহিনের মতো পাঁচ শতাধিক কৃষক আজ অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন বগুড়া শহরের স্টেশন সড়কের মিতালি ফিলিং স্টেশন, শহরতলীর পূর্বাঞ্চল ফিলিং স্টেশন ও গাবতলীর সোন্দাবাড়ীর খাদিজা ফিলিং স্টেশনে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দেশে যে জ্বালানিসংকট তৈরি করেছে, তা দুই মাসে গড়াচ্ছে। এর মধ্যে দামও বেড়েছে।
