আষাঢ়ের প্রথম দিনে বর্ষা উৎসব

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উৎসবের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হলো পয়লা আষাঢ়। দিনটিকে বরণ করে নিতে বর্ষা উৎসব উদ্‌যাপন পরিষদ আয়োজন করে ‘বর্ষা উৎসব-১৪৩৩’। সকালে রাগ ‘জয় জয়ন্তী’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই উৎসব। বর্ষা ঘিরে গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও আলোচনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। পাশাপাশি জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দিতে শিশু-কিশোরদের মধ্যে বিতরণ করা হয় বিভিন্ন গাছের চারা।

রাগ ‘জয় জয়ন্তী’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বর্ষা উৎসব-১৪৩৩।
রাগ ‘জয় জয়ন্তী’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বর্ষা উৎসব-১৪৩৩।
কবি জয় গোস্বামীর ‘মেঘবালিকার জন্য’ কবিতা আবৃত্তি করেন নায়লা তারান্নুম চৌধুরী কাকলি।
‘এসো হে সজল শ্যাম ঘন দেয়া...’ গানে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে দিব্য।
‘বাদল-দিনের প্রথম কদম ফুল...’ পরিবেশন করেন অনিমা রায়।
‘এসো নীপবনে ছায়াবীথিতলে’ গানের সঙ্গে নৃত্যম দলের পরিবেশনা।
খোঁপায় গোঁজা সাদা কাঠগোলাপ।
আষাঢ়ের প্রথম দিন হলেও রোদের প্রখরতা থেকে বাঁচতে চার্জার ফ্যান হাতে এক খুদে শিল্পী।
অনুষ্ঠানের কি–বোর্ডে ছিলেন শিল্পী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ইফতেখার হোসেন সোহেল।
বক্তব্য দেন বরেণ্য আবৃত্তিশিল্পী ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা আশরাফুল আলম।
অনুষ্ঠানে ধরিত্রিকে সবুজ করা এবং জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষায় প্রতীকীভাবে শিশু-কিশোরদের মধ্যে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
বৃষ্টির ছন্দে মুগ্ধতা ছড়ায় নৃত্যাক্ষের পরিবেশনা।
আষাঢ়ের প্রথম দিনে বর্ষাকে বরণ করতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হন সংস্কৃতিপ্রেমীরা।
আধুনিক গানের তালে স্পন্দন দলের প্রাণবন্ত নৃত্য।
নূপুরের নিক্বণ আর ছন্দের দোলা; মঞ্চে ওঠার আগে নৃত্যশিল্পীদের প্রস্তুতির এক রঙিন মুহূর্ত।