জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে ভিড়

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে গণভবনকে রূপান্তর করে প্রতিষ্ঠিত ‘জুলাই ৩৬ গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান, ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের বীরত্বগাথা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এই জাদুঘর নির্মাণ করা হয়। জাদুঘরটিতে সংরক্ষিত রয়েছে আন্দোলনের দুর্লভ আলোকচিত্র, ভিডিও ফুটেজ, ঐতিহাসিক নথিপত্র এবং শহীদদের ব্যবহৃত নানা সামগ্রী। দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার দিনই অনেকেই জাদুঘরটি দেখতে ভিড় করেন।

জাদুঘরে প্রবেশের টিকিট কাটতে দর্শনার্থীদের দীর্ঘ সারি।
জাদুঘরে প্রবেশের টিকিট কাটতে দর্শনার্থীদের দীর্ঘ সারি।
ভাস্কর্যের সামনে ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখছে দর্শনার্থী একটি পরিবার।
আন্দোলনের বিভিন্ন মুহূর্তের স্মারক হিসেবে নির্মিত ভাস্কর্য ঘুরে দেখছেন দর্শনার্থীরা।
ডিজিটাল ডিসপ্লে গ্লোবে ভেসে উঠছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-সম্পর্কিত বিভিন্ন বার্তা।
ভিআর প্রযুক্তির মাধ্যমে ‘আয়নাঘর’-বিষয়ক থ্রিডি অ্যানিমেশন দেখছেন দর্শনার্থীরা।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যবহৃত লাল টেলিফোনে অডিও বার্তা শুনছেন দর্শনার্থীরা।
ছাত্রলীগের মারধরে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদের প্রতিকৃতি জাদুঘরের দেয়ালে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়।
বিভিন্ন প্রদর্শনীর মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার বীরত্বগাথা তুলে ধরা হচ্ছে।
জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে জুলাই আন্দোলনের সাড়াজাগানো আলোকচিত্র।
জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের ব্যবহৃত নানা স্মৃতিচিহ্ন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানবিষয়ক বই দেখছেন এক দর্শনার্থী।
আন্দোলনের সময় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও নিয়ে নির্মিত থ্রিডি অ্যানিমেশন উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখছেন দর্শনার্থীরা।