করোনাকালের সাদা পাথর এলাকা

প্রকৃতির স্বর্গরাজ্য সাদা পাথর। পাথর ছুঁয়ে ধেয়ে নামছে পাহাড়ের স্বচ্ছ জল। বিশাল এলাকাজুড়ে দুদিকে নিরেট পাথররাজি মধ্যে নীল স্বচ্ছ জল। পাহাড়ের ওপর মেঘের আলিঙ্গন। প্রকৃতির এমন শোভা ভ্রমণপিপাসুদের হাতছানি দেয়। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সীমান্তবর্তী ভোলাগঞ্জের ধলাই নদের উৎসমুখ জিরো পয়েন্টেই সাদা পাথর এলাকাটি। সেখানে রয়েছে প্রকৃতির এই রূপের আধার। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে অন্য পর্যটনকেন্দ্রের মতো সাদা পাথরে পর্যটক যাওয়া বন্ধ রয়েছে। সেই থেকে পর্যটকহীন গোটা এলাকা। নতুন পাথর সংরক্ষিত রাখতে যাতায়াত পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঈদে পর্যটকহীন থাকতে হবে সাদা পাথরকে। শান্ত-স্নিগ্ধ পর্যটকহীন সাদা পাথর রূপ মেলে ধরেছেন নিজের মতো করে। গত সোমবারের চিত্র।

পাহাড় বেয়ে ও পাথর ছুঁয়ে ধেয়ে নামছে স্বচ্ছ জল। ওপরে মেঘের আলিঙ্গন।
ব্যস্ততম ১০ নম্বর ঘাট এখন সুনসান।
ঘাটে অলস পড়ে আছে পর্যটকবাহী নৌকা।
তবু পর্যটকদের আশায় বসে নৌকা নিয়ে অপেক্ষায় থাকেন কেউ কেউ।
বন্ধ রয়েছে পাথর ও বালু উত্তোলন।
এলাকাজুড়ে শুধু পাথর আর পাথর।
খরস্রোতা নদ কোথাও কোথাও ছোট ছড়ায় পরিণিত হয়েছে।
প্রকৃতি নিজের মতো রূপ ধরে আছে সাদা পাথর এলাকায়।
পানির তোড়ে ভেসে যাওয়া জুতা আটছে আছে পাথরে।
পর্যটকদের পদচারণ না থাকায় গাছ গজিয়েছে। আচার খেয়ে ফেলে দেওয়া বরইয়ের বিচি থেকে নতুন প্রাণের সৃষ্টি।
পাথরের মাছে আটকে আছে প্লাস্টিকের বস্তা।
সন্ধ্যা নামার পর সাদা পাথর এলাকা।