
চট্টগ্রাম নগর যুবলীগের সমাবেশ শেষে সংগঠনটির এক পক্ষের হামলায় আরেক পক্ষের তিনজন আহত হয়েছেন। আহত সবাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাবেক সভাপতি গোলাম রসুল নিশানের অনুসারী। গোলাম রসুল নগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।
আজ শনিবার দুপুরে নগরের চেরাগী মোড় এলাকায় এই হামলা হয়। আহত মো. আকবর (২৪), সোহেল (২৭) ও মো. রাসেলকে (২৬) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার নগরের আন্দরকিল্লা থেকে জামাল খান প্রেসক্লাব এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে যুবলীগ।
গোলাম রসুল নিশান প্রথম আলোকে বলেন, সমাবেশ শেষে অনুসারীদের নিয়ে চেরাগী মোড় এলাকায় যান। সেখানে অতর্কিতভাবে সিআরবি জোড়া খুনের মামলার আসামি সাইফুল আলমের অনুসারীরা হামলা চালান। তাঁদের হাতে লাঠিসোঁটা ছিল। হামলায় তাঁর তিন অনুসারী আহত হন। এই ঘটনায় তিনি থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
কী কারণে এই হামলা হয়েছে বলে মনে করছেন, জানতে চাইলে গোলাম রসুল নিশান বলেন, নগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী তিনি। আবেদনও করেছেন। এ জন্য তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে আছেন সাইফুল আলম। তিনিও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী। সে কারণেই তাঁর অনুসারীদের ওপর হামলা করা হয়েছে।
তবে সাইফুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি গোলাম রসুলের বড় ভাই। তাঁর সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আমি কেন তাঁর অনুসারীদের ওপর হামলা করতে যাব?’
রেলওয়ের কোটি টাকার দরপত্রের ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে ২০১৩ সালের ২৪ জুন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক অর্থবিষয়ক সহসম্পাদক হেলাল আকবর চৌধুরী ওরফে বাবর এবং ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় নেতা বর্তমানে নগর যুবলীগের সদস্য সাইফুল আলম ওরফে লিমনের অনুসারী নেতা-কর্মীদের মধ্যে চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় গুলিতে প্রাণ হারায় এক শিশুসহ দুজন। এই ঘটনায় করা মামলায় সাক্ষ্য চলছে। ঘটনার পর সাইফুলকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।