প্রার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

সার্টিফায়েড কপি দিতে গড়িমসির অভিযোগ

রাজশাহীতে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সার্টিফায়েড কপি দিতে গড়িমসি করার অভিযোগে সোমবার দিবাগত রাতে রাজশাহী সিটি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীরা অভিযোগ করেন, রাজশাহীর বিভিন্ন আসনে বিএনপির ছয়জনসহ ২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এই প্রার্থীরা সোমবার সকাল নয়টায় মনোনয়নপত্র বাতিলের ‘সার্টিফায়েড কপি’ পেতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির হন। কিন্তু তাঁরা কাজে ব্যস্ততার কথা বলে বারবার এড়িয়ে যান। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আলমগীর কবিরের সাথে দেখা হলে তিনি বলেন, ‘সময় হলে সার্টিফায়েড কপি পাবেন। আমরা তখন বলি, কপি পাওয়া আমাদের অধিকার।’ বেলা আড়াইটার দিকে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানমকে রিসিভ করতে জেলা প্রশাসক বিমানবন্দরে চলে যান।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির প্রার্থীরা বলেন, ‘পরে আমরা সার্কিট হাউসে গিয়ে নির্বাচন কমিশনারের সাথে দেখা করতে চাই। কিন্তু আমাদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি। সেখানে আমাদের বলা হয় “আগামীকাল সকাল ১০টায় আসেন। তখন দেখব।”’ কাল দেওয়া হবে কি না, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। কিন্তু সব জায়গায় সার্টিফায়েড কপি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকে হাইকোর্টে রিটও করেছেন। এখানে সবকিছু দেখেশুনে মনে হচ্ছে, রাজশাহীর জন্য নতুন আইন করা হয়েছে। হাতে খুব কম সময় আছে। এ সময় সুকৌশলে বিএনপির প্রার্থীদের বাদ দিতে কালক্ষেপণ করা হচ্ছ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষর করেছেন বাসদ মনোনীত আলফাজ হোসেন ও আবু বক্কর সিদ্দিক। পবা-মোহনপুর আসনে বিএনপি মনোনীত মতিউর রহমান, বিএনপি মনোনীত আবু সাইদ চাঁদের পক্ষে আকবর হোসেন সরকার, বাগমারা আসনের বিএনপির প্রার্থী আবদুল গফুরের পক্ষে এস এম আরিফ, আমিনুল হকের পক্ষে মাহফুজুর মিলন উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক আবদুল কাদের প্রথম আলোকে বলেন, ‘আবেদন পাওয়ার পর সারা দিন ধরে তাদের কাজটিই করা হচ্ছে। আবেদন পাওয়ার পর কপি দেওয়ার জন্য কয়েকটি ধাপ রয়েছে। এর জন্য সময়ের প্রয়োজন। কাজ শেষ হওয়ামাত্র দিয়ে দেওয়া হবে।’