ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা নিবাস ৫ দিনের রিমান্ডে

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা এক মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি নিবাস মজুমদারকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জরুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ রেজা বলেন, ‘তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আসামিকে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’

এর আগে গত ২৮ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির তেজগাঁও গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক মো. মাসুদুর রহমান আসামি নিবাসের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। সেদিন আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করেন।

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ অথবা কারাগারে রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি দেয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে নিবাসের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ‘শেখ হাসিনা সৈনিক সেন্ট্রাল’ নামে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতা–কর্মীদের সংগঠিত করে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে তিনি জড়িত ছিলেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যবহৃত ককটেলের উৎস জানতে তাঁকে পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৮ জুন সকালে মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় নিবাস মজুমদারসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতা–কর্মী মিছিল বের করেন। এ সময় সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করে। গত ২৭ জুলাই নিবাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।