বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের লোগো
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের লোগো

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পেছনে ‘রাজনৈতিক সমীকরণ’ আছে কি না, সে প্রশ্ন উঠেছে: খেলাফত মজলিস

সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পেছনে কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে কি না, সে প্রশ্ন জনমনে দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। একই সঙ্গে দলটি বলেছে, শুধু পদত্যাগে মো. সাহাবুদ্দিনের দায় শেষ হয় না, তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে অবিলম্বে তাঁকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

আজ শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর থেকেই মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদে থাকার নৈতিক ও রাজনৈতিক বৈধতা হারিয়েছিলেন। সে সময় থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, আন্দোলনের অংশীজন এবং খেলাফত মজলিস তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিল। তবে শুরুতে বিএনপি এ দাবির পক্ষে অবস্থান না নিয়ে তাঁকে রাষ্ট্রপতির পদে বহাল রাখার পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। পরে দলটির অবস্থান পরিবর্তনের পর তিনি পদত্যাগে বাধ্য হন। এ কারণে তাঁর পদত্যাগের পেছনে রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে কি না, সে প্রশ্ন জনমনে দেখা দিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ প্রসঙ্গে মো. সাহাবুদ্দিনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রাষ্ট্রপতির নিরপেক্ষতা ও সাংবিধানিক দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

খেলাফত মজলিসের নেতারা দাবি করেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার, সংবিধান লঙ্ঘন এবং বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং অনিয়ম ও আর্থিক কেলেঙ্কারিতে সহযোগিতার অভিযোগেরও নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিচারিক তদন্ত হওয়া উচিত।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তাঁরা বলেন, দেশের মানুষ কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা নয়, বরং ন্যায়বিচার চায়। তাই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।