ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেছেন একই আসনের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আগামীকাল রোববার কিংবা ভোটের আগেই এই আবেদনের শুনানি করার চেষ্টা থাকবে বলে জানিয়েছেন নাহিদ ইসলামের আইনজীবী।
এর আগে কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে নাহিদের করা রিট ৩ ফেব্রুয়ারি সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় ৫ ফেব্রুয়ারি লিভ টু আপিলটি দায়ের করেন নাহিদ ইসলাম।
এই তথ্য জানিয়ে নাহিদ ইসলামের অন্যতম আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা আজ শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, কাইয়ুমের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা ও তাঁকে প্রতীক (ধানের শীষ) বরাদ্দের সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছে লিভ টু আপিলে। আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে রোববার শুনানির চেষ্টা থাকবে, না হলে নির্বাচনের আগেই শুনানির চেষ্টা থাকবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ভোটের আর মাত্র চার দিন বাকি আছে। এর আগে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে গত ৩ জানুয়ারি কাইয়ুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে তা গ্রহণ করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গত ২২ জানুয়ারি কাইয়ুমকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দ দেন।
তবে কাইয়ুম ভানুয়াতু নামের একটি দেশের নাগরিক, অর্থাৎ দ্বৈত নাগরিক—এমন অভিযোগ তুলে রিটার্নিং কর্মকর্তার ওই দুই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে ২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন একই আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। কাইয়ুম দ্বৈত নাগরিক এবং এই তথ্য তিনি হলফনামায় গোপন করেছেন বলে রিটে অভিযোগ করা হয়। শুনানি নিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন, যার বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছেন নাহিদ।