
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আখতারুজ্জামানের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ সোমবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপির) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে আখতারুজ্জামানের জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে ৬ আগস্ট আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. মাসুদুর রহমান। তবে ওই দিন মামলার মূল নথি আদালতে না থাকায় আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে রিমান্ডের শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণে আখতারুজ্জামানের মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে তাঁদের গ্রেপ্তার, রাষ্ট্রবিরোধী অবৈধ পরিকল্পনার তথ্য উদ্ঘাটন এবং আসামির হেফাজতে থাকা অবৈধ ককটেল বোমার উৎস সম্পর্কে তথ্য জানতে তাঁকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
এই মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১৮ জুন সকালে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার মহাখালী বাস টার্মিনালসংলগ্ন এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতা-কর্মী মিছিল বের করেন। মিছিলে তাঁরা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এ ছাড়া তাঁরা রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালান বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওই ঘটনায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। পরে ৫ আগস্ট রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ ডিবি।