
চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-হালিশহর-ডবলমুরিং) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ঘোষণা হবে আজ সোমবার সন্ধ্যায়।
দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় কে নৌকার প্রার্থী হবেন, তা নির্ধারিত হবে। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়ে আবেদন করেছেন ২৯ জন।
গত ২ জুন সংসদ সদস্য আফছারুল আমীনের মৃত্যুতে আসনটিকে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী ৩০ জুলাই এখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কাল ৪ জুলাই মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়।
এ কারণে আজই দলীয় মনোনয়ন কে পাবেন, তা নির্ধারণ করবে আওয়ামী লীগ। গত ২৪ জুন থেকে দলটি মনোনয়নপত্র বিতরণ করে। প্রথম দিন ১৪ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। ২৬ জুন পর্যন্ত মোট ২৯ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে প্রবীণ নেতা যেমন রয়েছেন, তেমনি অপেক্ষাকৃত নবীনও রয়েছেন।
দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া জানান, আজ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে প্রার্থিতা চূড়ান্ত হবে।
মনোনয়নপত্র গ্রহণকারীদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন চট্টগ্রাম মহানগর ১৪ দলের সমন্বয়ক ও নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। তিনি ছয় মাসের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ছিলেন। এ ছাড়া নগর কমিটির উপদেষ্টা এ কে এম বেলায়েত হোসেন ও শফর আলী রয়েছেন। আবার একই কমিটির যুগ্ম সম্পাদক বেলায়েত হোসেনও দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী।
অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলামও আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
অপেক্ষাকৃত নবীনদের মধ্যে নগর যুবলীগের সদ্য সাবেক আহ্বায়ক মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু ও যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ মনোনয়ন চেয়েছেন। জানতে চাইলে মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, ‘দীর্ঘদিন এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি। তাই মনোনয়ন চেয়েছি। বাকিটা নেত্রী বিবেচনা করবেন।’
ফরিদ মাহমুদ বলেন, নেত্রীর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। তিনি যাঁকে মনোনয়ন দেবেন, তা শিরোধার্য।
প্রয়াত সংসদ সদস্য আফছারুল আমীনের স্ত্রী, ছেলে ও দুই ভাই দলের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তাঁরা হলেন স্ত্রী কামরুননেছা, ছেলে ফয়সাল আমীন, দুই ভাই এরশাদুল আমীন ও আরিফুল আমীন।
কেন্দ্রীয় মহিলা শ্রমিক লীগের নেত্রী রোকসানা পারভীন ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেহানা বেগমও প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন।
পাঁচ মাসের জন্য এই আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।