নারীরা হাঁড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে মিছিল ও সমাবেশে অংশ নেন
নারীরা হাঁড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে মিছিল ও সমাবেশে অংশ নেন

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ

দফায় দফায় জ্বালানি গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখা।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়। এতে দলটির কয়েক হাজার নেতা–কর্মী অংশ নেন। নারীরা হাঁড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে মিছিল ও সমাবেশে অংশ নেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, মানুষের আয় এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে সামঞ্জস্য নেই। দফায় দফায় জ্বালানি তেল, বিদ্যুতের দাম বাড়ছে। কিন্তু মানুষের আয় সে অনুপাতে বাড়ছে না।

সরকারকে বাজার সিন্ডিকেট ভাঙার আহ্বান জানিয়ে সেলিম উদ্দিন বলেন, জনগণের কাছে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণকে অস্তিত্বসংকট ও অনিরাপত্তার মধ্যে রেখে উন্নয়নের ফানুস ওড়ানো যাবে না।

চলমান শ্রমিক আন্দোলনে কারা ভাঙচুর ও নাশকতা করার চেষ্টা করছে, সরকারকে তা খুঁজে বের করার আহ্বান জানান জামায়াতের এই নেতা।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করে সরকার বিভাজনের সূচনা করেছে উল্লেখ করে ঢাকা উত্তর জামায়াতের এই আমির বলেন, গণ–অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সরকারের উচিত ছিল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা। কিন্তু সেটি সরকার করছে না। এর পরিণতি তাদের ভোগ করতে হবে।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাড্ডা ইউলুপের সামনে এসে শেষ হয়।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাহফুজুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ইয়াসিন আরাফাত, ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার প্রমুখ।