
জার্মানির সোনালি প্রজন্মের নবীনতম সদস্য তাঁরা দুজন৷ মার্কো রয়েস ও মারিও গোটশের কাছে অনেক প্রত্যাশা জোয়াকিম লোয়ের জার্মানির৷ রয়েসের বয়স এখন ২৪, গোটশের ২১৷ এবার বিশ্বকাপ অভিষেককে স্মরণীয় করে রাখতে চান দুজনেই৷
গত ইউরোতেই রয়েস-গোটশের গায়ে উঠেছে জার্মানির জার্সি৷ রয়েস খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন দুই ম্যাচ, গোটশে কোয়ার্টার ফাইনালে নেমেছিলেন মাত্র ১০ মিনিটের জন্য৷ এবার নিশ্চিতভাবেই বেশি সুযোগ পাবেন৷ সেটি কাজে লাগাতে মরিয়া থাকবেন দুজনই৷
‘আমরা দুজনেই খেলতে চাই, এটা নিশ্চিত’—ইতালিতে জার্মানির বিশ্বকাপ অনুশীলন ক্যাম্পে বলেছেন গোটশে৷ গত ইউরোর হতাশা এবার দূর করতে চান বায়ার্নের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার, ‘২০১২ ইউরোতে আমি ছন্দ খুঁজে পাইনি৷ টুর্নামেন্টের আগে চোট পেয়েছিলাম৷ পরিস্থিতিটা ছিল অন্যরকম৷’ কিন্তু বিশ্বকাপ তার চেয়েও বড় মঞ্চ৷ সেটার দিকেই এখন তাকিয়ে গোটশে, ‘আপনি কি সব সময় বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পান? এটা বিশেষ কিছু, আমরা নিজেদের জন্য বড় একটা লক্ষ্য ঠিক করেছি৷’ রয়েসের কণ্ঠেও একই সুর, ‘আমি আশা করছি টুর্নামেন্টে খেলব৷ এর চেয়ে বড় তো আর কিছু হতে পারে না৷ গত ইউরোর পর আমি নিজেকে অনেক বেশি বিকশিত করেছি৷ যে ছন্দটা দরকার, সেটা ফিরে পেয়েছি৷ আমি খুব ভালো অবস্থায় আছি৷ যদিও খেলতে পারব কি না, সেটা কোচের ওপরই নির্ভর করছে৷’
জার্মানি দলে জায়গা পেতে দুজনকে অবশ্য ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে হবে৷ মেসুত ওজিল, লুকাস পোডলস্কি, আন্দ্রে শুর্লে, জুলিয়ান ড্রেক্সলারদের মতো খেলোয়াড় যে দলে, এটা স্বাভাবিকই৷ রয়েস তাই বললেন, ‘আমরা মাঝমাঠের যেকোনো জায়গাতেই খেলতে পারি৷ সামনে, বাঁয়ে বা ডানে৷’
গোটশে, রয়েস প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার আশা করতেই পারেন৷ ক্লাবের হয়ে দুজনেই এই মৌসুমে আলো ছড়িয়েছেন৷ ডর্টমুন্ডকে তো বলতে গেলে রয়েস একাই তুলে এনেছেন লিগের দ্বিতীয় স্থানে, দুর্দান্ত খেলেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগেও৷ বায়ার্নকে বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপ জেতাতে গোটশেও রেখেছেন বড় ভূমিকা৷ রয়টার্স৷