
ভারত: ২০ ওভারে ১৬১/৯।
যুক্তরাষ্ট্র: ২০ ওভারে ১৩২/৮ভ
ফল: ভারত ২৯ রানে জয়ী।
ভারত কত রানে থামবে—যুক্তরাষ্ট্রের অধিনায়ক টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর পর থেকেই শুরু হয় আলোচনাটা। কিন্তু ম্যাচ শুরুর পর দেখা গেল উল্টো চিত্র। ৮ রানে প্রথম, ৪৬ রানে চতুর্থ আর ৭৭ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানোর পর আলোচনার সুর যায় পাল্টে—কত রান করতে পারবে ভারত!
অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ত্রাতা হয়ে না দাঁড়ালে সত্যিই খুব বিপদে পড়তে পারত ভারত। ৪৯ বলে তাঁর অপরাজিত ৮৪ রানের ইনিংসে ভর করে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ভারত তুলতে পারে ১৬১ রান। ভারতের ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫ রান এসেছে তিলক বর্মার ব্যাট থেকে। ১৬১ রান তোলা ভারত শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতেছে ২৯ রানে। যুক্তরাষ্ট্র ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তুলতে পেরেছে ১৩২ রান।
ভারতকে অল্প রানে আটকে রাখতে পারার মূল কৃতিত্ব দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের পেস বোলিং অলরাউন্ডার শ্যাডলি ফন শাল্কভিকের। ৪ ওভার বোলিং করে ২৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে তিনটি উইকেট ইশান কিষান, তিলক বর্মা ও শিবম দুবের।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইনিংস পথে রাখার চেষ্টা করেন মিলিন্দ কুমার ও সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৫৮ রান তোলেন তাঁরা। এ দুজনের আউটের পর আর কেউ সেভাবে উইকেটে থিতু হতে পারেননি।
ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সিরাজ। দুটি করে উইকেট অর্শদীপ সিং ও অক্ষর প্যাটেলের।
ভারত: ২০ ওভারে ১৬১/৯ (সূর্যকুমার ৮৪*, তিলক ২৫, কিষান ২০, অক্ষর ১৪; শাল্কভিক ৪/২৫, হারমিত ২/২৬, আলী ১/১৩, মহসিন ১/১৬)।
যুক্তরাষ্ট্র: ২০ ওভারে ১৩২/৮ (রানজানে ৩৭, কৃষ্ণমূর্তি ৩৭, মিলিন্দ ৩৪; সিরাজ ৩/২৯, অর্শদীপ ২/১৮, অক্ষর ২/২৪, বরুণ ১/২৪)।
ফল: ভারত ২৯ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: সূর্যকুমার যাদব