আবুধাবিতে আজ অনুশীলনের ফাঁকে তাওহিদ হৃদয় ও জাকের আলী
আবুধাবিতে আজ অনুশীলনের ফাঁকে তাওহিদ হৃদয় ও জাকের আলী

আফগানিস্তান টেস্টের আগে এশিয়াড ফেরত ক্রিকেটারদের নিয়ে চিন্তায় সিমন্স

দুই দিন পরই আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ। এই প্রথম সংযুক্ত আরব আমিরাতে টেস্ট খেলবে তারা। এই ম্যাচ খেলতে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা গেছেন দুই ভাগে। দেশ থেকে ১ অক্টোবর যান কয়েকজন ক্রিকেটার।

বাকি ক্রিকেটাররা আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমস শেষ করে জাপান থেকে সরাসরি গেছেন আবুধাবিতে। জাপানে তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রির নিচে, অথচ আবুধাবিতে তা ৪০ ডিগ্রি। হুট করে আবহাওয়ার এমন বদল ক্রিকেটারদের জন্য মানিয়ে নেওয়া একটু কঠিন।

তার ওপর দুবাইয়ের একাডেমি মাঠে আরব আমিরাতের বিপক্ষে বাংলাদেশ যে দুদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে, সেখানেও ছিলেন না তাঁরা। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তাদের টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামতে হচ্ছে দুদিন অনুশীলনের পর।

এ নিয়ে দুশ্চিন্তা আছে দলের ভেতরও। আজ আবুধাবিতে প্রধান কোচ ফিল সিমন্স বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে এটাই একমাত্র সমস্যা। যারা জাপান থেকে এসেছে, সেখানে তেমন কিছু না করেই তাদের এই আবহাওয়ায় এসে দুই দিন কাটাতে হচ্ছে। তারা কীভাবে এখানকার পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।’

তবে সিমন্স আশাবাদী লিটনদের নিয়ে, ‘শেষ পর্যন্ত এটা মানসিক ব্যাপারও। কীভাবে তারা নিজেদের মানিয়ে নেয়, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। আজ অবশ্য তাদের ভালোই মনে হয়েছে। গরমের মধ্যে প্রথম দিন হিসেবে তারা ভালো করেছে। তাই আমি নিশ্চিত, তারা দ্রুতই নিজেদের ভালোভাবে মানিয়ে নিতে পারবে।’

আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে একটিতে জিতেছে আর হেরেছে অন্যটিতে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেললে সব সময়ই স্পিনারদের মুখোমুখি হওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে হয়। সেটির জন্যও তৈরি আছে বাংলাদেশ দল।

ফিল সিমন্স বলেছেন, ‘আমি উইকেট দেখেছি। ভালোই মনে হচ্ছে। একটু ধীর গতির হতে পারে, তবে ভালো উইকেট বলেই মনে হচ্ছে। আমরা ভালো উইকেটের জন্যই প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা জানি, বেশ কয়েকজন স্পিনারের বিপক্ষে আমাদের খেলতে হবে। সেসব মাথায় রেখেই প্রস্তুতি নিচ্ছি, আর প্রস্তুতিও ভালো হয়েছে।’