বাংলাদেশের হয়ে খেলার সময়ে লিটন মুশফিকদের সঙ্গে নাঈম
বাংলাদেশের হয়ে খেলার সময়ে লিটন মুশফিকদের সঙ্গে নাঈম

নাঈম হাসানকে ‘পুলিশি হেনস্তা’: প্রতিবাদে সরব মুশফিক-লিটন-তাসকিন

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে রাস্তায় গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। এবার এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন নাঈমের সতীর্থ মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস ও তাসকিন আহমেদরাও।

শুক্রবার রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলে চট্টগ্রাম গিয়েছিলেন নাঈম। সেখান থেকে বাসায় ফেরার পথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে তুলে নিয়ে মারধর করে থানায় নিয়ে যান। এরপর নগরীর খুলশী থানায়ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ নাঈমের।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুশফিক লিখেছেন, ‘নাঈমের সঙ্গে যা ঘটেছে, তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। যা ঘটেছে, তা আমাকে ব্যথিত ও লজ্জিত করেছে। একজন নাগরিক হিসেবে, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। নাঈম, আমরা তোমার পাশে আছি।’

বাংলাদেশ দলের পেসার তাসকিন ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাইম হাসানের সাথে পুলিশের এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।’

বাংলাদেশ টি–টুয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাস সতীর্থকে সাহস জুগিয়ে লিখেছেন, ‘মাথা উঁচু রাখো নাঈম। তুমি একজন চমৎকার মানুষ। নাঈম হাসানের সাথে যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তাকে এমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে দেখাটা হৃদয়বিদারক। একজন সহকর্মী এবং সতীর্থ হিসেবে এই ঘটনায় আমি সত্যিই মর্মাহত।’

লিটন আরও লিখেছেন, ‘এই দেশের কোনো নাগরিকেরই এমন আচরণ প্রাপ্য নয়, বিশেষ করে একজন জাতীয় ক্রিকেটার যিনি গর্বের সাথে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এই ঘটনায় সুষ্ঠু ও যথাযথ তদন্তের আশা করছি এবং যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হয়।’

খুলশী পুলিশ জানিয়েছে, এরই মধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিনজনকে খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।