সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৪২* রানের অবিস্মরণীয় ইনিংস খেলেছেন তাওহিদ হৃদয়। এই ইনিংসের পথে তিনি নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ক্রিকেটের বেশ কিছু রেকর্ডে।
টেস্টে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্কোর (২৪২) এখন তাওহিদ হৃদয়ের। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিমের ২১৯ (২০১৮ সালে মিরপুরে)।
হৃদয়ের ১১ ছক্কা টেস্টে এক ইনিংসে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তাঁর আগে ইনিংসে ১১ ছক্কা ছিল ছয়জনের। সর্বোচ্চ ১২টি করে ছক্কা আছে ওয়াসিম আকরাম ও যশস্বী জয়সোয়ালের। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭ ছক্কা ছিল তামিম ইকবালের (২০১৫ সালে খুলনায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানের ইনিংসের পথে)।
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিকে ডাবলে পরিণত করার কীর্তি গড়লেন হৃদয়।
টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করা চতুর্থ বাংলাদেশি হৃদয়। অন্য তিনজন হলেন মুশফিকুর রহিম (তিনটি), সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল।
বাংলাদেশের ৩৮৬ রানে হৃদয়ের একারই ২৪২*, অর্থাৎ, দলের ইনিংসের ৬২.৬৯ শতাংশই তাঁর। একটি পূর্ণাঙ্গ ইনিংসে এটি বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ অবদান। আগের সর্বোচ্চ ছিল ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৩ রানে অলআউট হওয়া ইনিংসে লিটনের ২৫ (৫৮.১৩ শতাংশ)।
১১ ছক্কা ও ২২ চারে মোট ১৫৪ রান করেছেন হৃদয়। বাংলাদেশের হয়ে এক ইনিংসে বাউন্ডারিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড এটি। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১৭ রানের ইনিংসে ৩১ চারে ১২৪ রান বাউন্ডারি থেকে তুলেছিলেন সাকিব আল হাসান।
সিলেটে বাংলাদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস এখন হৃদয়ের ২৪২*। পেছনে ফেলেছেন ২০২৫ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাহমুদুল হাসানের ১৭১ রানের ইনিংসকে।
বাংলাদেশের সপ্তম উইকেট পড়েছিল ১৮৪ রানে, এরপর যোগ হয়েছে আরও ২০২ রান। শেষ তিন উইকেটে এটিই তাদের সর্বোচ্চ। ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ তিন উইকেটে ১৯৮ রান করেছিল বাংলাদেশ।
২৯ রান নিয়ে দিন শুরু করে আজ ২১৩ রান যোগ করেছেন তাওহিদ হৃদয়। বাংলাদেশের হয়ে এক দিনের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড এটি। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১৭ রানের ইনিংস খেলার পথে এক দিনে ২১২ রান করেছিলেন সাকিব আল হাসান।