অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে চোটের জন্য নিজেকে লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। তাঁর জায়গায় এলপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি জাফনা কিংস দলে এনেছিল তাওহিদ হৃদয়কে। প্রথম ম্যাচে নেমেই আলো ছড়িয়েছেন ব্যাট হাতে। পরে বল হাতে জ্বলে উঠেছেন জাফনায় হৃদয়ের সতীর্থ সাকিব আল হাসানও। ক্যান্ডি রয়্যালসের বিপক্ষে ৯৩ রানের সহজ জয় পেয়েছে জাফনা।
হৃদয় নামার আগেই জাফনাকে দারুণ এক শুরু এনে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার কামিল মিশারা ও আভিস্কা ফার্নান্দো। দুজন ১২.৪ ওভারের মধ্যেই তুলে ফেলেন ১২৯ রান। এরপর আভিস্কা আউট হয়ে গেলে হৃদয় নামেন তিনে। শুরুতে নিজের ছন্দটা ফিরে পেতে কিছুটা সময় লেগেছিল হৃদয়ের। প্রথম বাউন্ডারির অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৫তম বল পর্যন্ত।
১৯তম ওভারে শাহীন আফ্রিদির বলে চার মেরে শুরু। শেষ ওভারের আগে হৃদয়ের রান ছিল ১৬ বলে ১৯। তবে মূল ঝড়টা তুলেছেন নুয়ান থুসারার করা ইনিংসের শেষ ওভারেই। সেই ওভারের প্রথম বলেই দারুণ এক ফ্লিকে পেয়েছেন চার।
আরও তিনটি ডাবলস নেওয়ার পর শেষটা করেছেন দুর্দান্ত। থুসারার করা ইনিংসের শেষ বলে কাউ কর্নার দিয়ে মেরেছেন দেখার মতো এক শট। সেই ছয়েই ক্যান্ডি রয়্যালসকে ২০০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে জাফনা।
সেই রান তাড়া করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতেই হোঁচট খেয়েছে ক্যান্ডি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বল হাতে নেন সাকিব, সেই ওভারে দিয়েছেন ৩ রান। এক ওভার পর আবার বল হাতে দিয়েছেন ৫ রান।
১৩তম ওভারে আবার এসে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে দুটি চার হজম করেন সাকিব। তবে ওভারের পঞ্চম বলে মঈন আলীকে ডেভিড ভিসের দুর্দান্ত এক ক্যাচ বানিয়ে পেয়েছেন ম্যাচে নিজের একমাত্র উইকেট। ইনিংস শেষে তাই সাকিবের বোলিং ফিগার হলো: ৩-০-১৮-১। শেষ পর্যন্ত ক্যান্ডি অলআউট হয়ে গেছে ১০৬ রানে।
এই জয়ে পাঁচ ম্যাচে তিন জয় নিয়ে পয়েন্ট তালিকার তিনে উঠে এসেছে জাফনা।