তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে স্বাগতম।
মিরপুরে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ ২০১১ সালে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। সেই সিরিজের পর আইসিসির টুর্নামেন্টেও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যে তিনবার দেখা হয়েছে, তার দুটিতে হারতে হয়, একটি ম্যাচ ভেসে গেছে বৃষ্টিতে।
অস্ট্রেলিয়ার ২০০৫ সালে কার্ডিফে সর্বশেষ ওয়ানডে জিতেছে বাংলাদেশ।
এ নিয়ে জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে—
১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ, দুই দশকের অপেক্ষা কি ফুরাবে
দুই দলের পেস আক্রমণে কে এগিয়ে, জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে—
এবার কি পেস আক্রমণে বাংলাদেশই এগিয়ে? জবাব দিলেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক
টসে জেতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক জশ ইংলিস। মুদ্রা নিক্ষেপ করেছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামবে বাংলাদেশ দল।
২০২২ সালের আগস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষবার মাঠে নেমেছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। ৪ বছর পর আবার তিনি ফিরেছেন জাতীয় দলের জার্সিতে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের একাদশে রাখা হয়েছে তাঁকে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচের মতো আজও একাদশে নেই লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অভিষেক হচ্ছে লিয়াম স্কটের। ডানহাতি এই পেসার লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ২০ ম্যাচে ১৪ উইকেট নিয়েছেন, ১৫ ইনিংসে ৪৬.৫০ গড়ে করেছেন ৪৬৫ রান।
বাংলাদেশ একাদশ : মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন, লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, তানভীর ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: জশ ইংলিস (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, মারনাস লাবুশেন, ম্যাথু রেনশ, লিয়াম স্কট, ম্যাট শর্ট ও অ্যাডাম জাম্পা।
দুই দলের জাতীয় সংগীত শেষ হয়েছে মাত্রই। বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন, দুজন ওপেনার দাঁড়িয়ে আছেন বাউন্ডারি লাইনের ঠিক সামনে। অস্ট্রেলিয়ার ফিল্ডাররাও তৈরি হচ্ছেন। শেষ হচ্ছে ১৫ বছরের অপেক্ষা— ২০১১ সালে দুই দলের সর্বশেষ দ্বিপক্ষীয় সিরিজের কোনো ক্রিকেটারই নেই এবার!
প্রথম ওভার থেকে এসেছিল ৫ রান, তানজিদ মারেন বাউন্ডারি। পরের ওভারে স্ট্রাইক পান সাইফ হাসান। শুরু করেন চার মেরে, কিন্তু পরের বলেই ক্যাচ তুলে দিয়েছেন স্লিপে। ৫ বলে ৫ রান করে সাইফ ফিরছেন ড্রেসিংরুমে। উইকেটে এসে প্রথম বলে চার মেরেছেন নাজমুল হোসেনও।
সাইফ হাসানের ক্যাচটা দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়িয়েই নিয়েছিলেন লাবুশেন। সেখানেই তাঁর হাতে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন নাজমুল হোসেনও। এলিসের বলেই এবার আর ক্যাচটা ধরতে পারেননি লাবুশেন। নাজমুল বেঁচে গেছেন।
বাংলাদেশ: ৪ ওভারে ২৪/১
১০ ওভারের পাওয়ার প্লের অর্ধেকটা শেষ হয়ে গেছে। বাংলাদেশ ১ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ৩৪ রান। ওভারপ্রতি ছয়ের বেশি গড়ে রান তুলছে স্বাগতিকরা। তবে ব্যাটিংয়ে যে খুব বেশি স্বস্তি ছিল, তা নয়।
সাইফ হাসান আরও একবার ব্যর্থ হয়েছেন ওয়ানডেতে। তানজিদ–নাজমুল পরে পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বোলাররাও, বিশেষত নাথান এলিস তাদের চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। তাঁর লাইন–লেন্থ আর সুইং অস্বস্তিতে ফেলছে ব্যাটসম্যানদের— নাজমুল তো খোঁচা মেরে স্লিপে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে গেছেন।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই আউট হয়ে গিয়েছিলেন সাইফ। পাঁচ ওভার পেরোনোর পর আউট হয়ে যেতে পারতেন নাজমুলও, কিন্তু স্লিপে তাঁর ক্যাচ ধরতে পারেননি লাবুশেন। এরপর থেকে যত সময় যাচ্ছে, ততই তানজিদ ও নাজমুল মেলে ধরছেন নিজেদের। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান এখন ৬২।
নাথান এলিস কিছুটা চ্যালেঞ্জ জানালেও নাজমুল–তানজিদ স্বাচ্ছন্দ্যেই খেলতে শুরু করেছেন এখন। দুজনে একটি করে ছক্কা মেরেছেন, জুটি ৫০ পেরিয়ে গেছে। তানজিদের রান এখন ২৫ বলে ৩১, নাজমুলের ৩০ বলে ২৫।
এদিকে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা যখন ভালো করছেন, তখন মিরপুরের আকাশ মেঘে ঢেকে গেছে। জ্বলে উঠেছে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটও। বৃষ্টি চলে আসতে পারে যেকোনো মুহূর্তে!
মাঝে টেস্ট অভিষেক হয়েছে, সেখানে দুই ইনিংসে আহামরি কিছু করতে পারেননি। তবে সাদা বলের ক্রিকেটে রান করার ধারাবাহিকতা হারাননি তানজিদ। আজ ফিফটি করলেন ৪১ বলে। এ বছর খেলা ৭ ওয়ানডেতে তানজিদের ব্যাটে চতুর্থ পঞ্চাশ পেরোনো ইনিংস, এর মধ্যে একটিতে করেছেন সেঞ্চুরিও। সবমিলিয়ে ওয়ানডেতে সপ্তম ফিফটি এই ওপেনারের।
তানজিদ পঞ্চাশ পেরোনোর পর বাংলাদেশর রানও ১০০ পেরিয়ে গেছে। ১৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে এখন তাদের রান ১০২। আবহাওয়াতেও সুখবর আছে, মেঘ কেটে আকাশ এখন রোদ ঝলমলে।
ফিফটি করার সময়ই ধারাভাষ্যকাররা আলোচনা করছিলেন— ৭ ফিফটির সঙ্গে তানজিদের সেঞ্চুরি কেবল একটি। সেটি নিশ্চয়ই বদলাতে চাইবেন এই ওপেনার। কিন্তু আজ তিনি তা পারেননি। ফিফটি পেরোনোর পর আউট হয়ে গেছেন। সাইফের মতো তাঁর উইকেটও নিয়েছেন নাথান এলিস— তাঁর স্লোয়ারে বিভ্রান্ত হয়ে তানজিদ ক্যাচ দিয়েছেন বার্টলাটের হাতে। ৪৪ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫৪ রান করেছেন তিনি।
সাইফের বিদায়ের পর তানজিদকে সঙ্গে নিয়ে নাজমুল বাঁচিয়েছেন বিপদ থেকে। তাদের জুটিতে এসেছে ৯১ বলে ৯৬ রান। তবে তানজিদ ফিফটির পরই ফিরে গেছেন। নাজমুলের এখন সঙ্গী লিটন দাস। বাংলাদেশের রান তিন শ পার করতে গুরুত্বপূর্ণ হবে তাদের জুটি। এর মধ্যেই নাজমুল ফিফটি পেয়ে গেছেন।
লিটন অবশ্য ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন। কাভারের উপর দিয়ে তুলে মারতে গেলেও তাঁর ব্যাটে ঠিকঠাক লাগেনি। এলিস অনেকটুকু দৌড়ে ঝাঁপিয়েছিলেনও, কিন্তু অল্পের জন্য বলটা হাতে নিতে পারেননি।
২১ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান এখন ২ উইকেটে ১২২।
আগের ওভারেও ক্যাচ তুলেছিলেন, তবে বেঁচে গিয়েছিলেন সেবার। এবার ম্যাট রেনশর বলে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে মিড অফ দিয়ে মারতে চেয়েছিলেন লিটন। কিন্তু ফলো থ্রুর সময় ক্যাচ নেন বোলার রেনশ। ৯ বলে ৭ রান করে আউট হয়েছেন লিটন। উইকেটে এসেছেন নতুন ব্যাটসম্যান তাওহিদ হৃদয়।
বাংলাদেশ: ২৬ ওভারে ১৪৪/৪।
আউট হয়ে যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না নাজমুল হোসেনও, তাঁর চোখেমুখে হতাশার ছাপ ছিল স্পষ্ট। থিতু হয়ে যাওয়া নাজমুল যেন উপহারই দিয়ে এলেন অস্ট্রেলিয়াকে। কাভারের উপর দিয়ে তুলে মারতে গিয়ে সহজ ক্যাচ দিয়েছেন কুনোলির হাতে। ৮৬ বলে ৬৭ রান করে আউট হলেন নাজমুল। ৩৪ রানের ভেতর ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছে বাংলাদেশও। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে উইকেটে এসেছেন ৪ বছর পর ওয়ানডেতে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেন।
বাংলাদেশ: ৩০ ওভারে ১৬৭/৪।
হৃদয় ১২ ও মোসাদ্দেক ২০ রানে অপরাজিত। পঞ্চম উইকেটে দুজনে অবিচ্ছিন্ন ২৭ রানের জুটি গড়েছেন।
বাংলাদেশ: ৩২ ওভার ১৭২/৪।
নতুন বলে স্লিপে নাজমুল হোসেনের ক্যাচ ছেড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ৩২ তম ওভারে স্পিনার ম্যাট রেনশর বলে স্ট্রেটে মোসাদ্দেকের ক্যাচ ছাড়েন কুপার কনোলি।
মোসাদ্দেক ২২ ও হৃদয় ১৫ রানে অপরাজিত।
ইনিংসের শুরু থেকেই খুব একটা সুবিধা করতে পারছিলেন না তাওহিদ হৃদয়। ৫১ বলের ইনিংসে বাউন্ডারি কেবল একটি, দৌড়ে রানও নিতে পারেননি তেমন। শেষ ১০ ওভারে যখন রান বাড়ানো দরকার, তখনই আউট হয়ে গেছেন তাওহিদ হৃদয়, করেছেন ৩১ রান।
বার্টলেটের স্লোয়ার মিড অফের ওপর দিয়ে তুলে মারতে গিয়ে এলিসের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন হৃদয়।
অনেকটুকু দৌড়ে ঝাঁপিয়ে বলটা প্রায় ধরেই ফেলেছিলেন লিয়াম স্কট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাতে জমাতে পারেননি। জীবন পান মোসাদ্দেক হোসেন। আজ বাংলাদেশের চারটি ক্যাচ ছেড়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ফিল্ডাররা।
জীবন পাওয়ার পর মোসাদ্দেক ফিফটি পেয়েছেন। আগের ৩৫ ইনিংসে ওয়ানডেতে তাঁর ফিফটি ছিল মাত্র তিনটি, সর্বোচ্চ অপরাজিত ৫২ রান। ৪ বছর পর জাতীয় দলে ফিরে প্রথম ম্যাচেই তিনি ফিফটি পেলেন। তাঁর কাজটা অবশ্য এখনও শেষ হয়নি।
কারণ তিনি ফিফটি পাওয়ার পরের বলে এলবিডব্লু হয়েছেন মিরাজ, রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। ১২ বল খেলে মিরাজ করেছেন মাত্র ৩ রান। বাংলাদেশের টেল এন্ডাররা আসতে শুরু করেছেন, এখন দায়িত্বটা কাঁধে নিতে হবে মোসাদ্দেককেই।
বাংলাদেশ: ৪৬ ওভারে ২৫০/৭।
দারুণ ব্যাট করছেন মোসাদ্দেক। ৪৬ তম ওভারে ছক্কা মেরেছেন। ৬৮ রানে অপরাজিত তিনি। ৮ রানে অপরাজিত তাসকিন।
চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরেই অপরাজিত ৮৬ রানের ইনিংস খেললেন মোসাদ্দেক হোসেন। ৩ ছক্কা ও ৭ চারে ৭০ বলে ওয়ানডেতে এটা তাঁর ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস।
দলীয় তিন শ রানের ওপাশে যাওয়ার সুবাস পেয়েছিল বাংলাদেশ। ৪০ ওভার শেষে স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ২১৪। শেষ ১০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৭০ রান তুলতে পেরেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে শেষ পাঁচ ওভারে উঠেছে ১ উইকেটে ৪৫।
ইনিংসের শেষ কয়েক ওভারে ব্যাটিংটা আরেকটু ভালো হলে তিন শর দেখা পেতে পারত বাংলাদেশ দল। তবে যে তিনটি জুটির ওপর ভর করে বাংলাদেশ এমন লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছে, তার মধ্যে মোসাদ্দেক–তাসকিনের শেষ দিকের অপরাজিত জুটিও বেশ ভালো ভূমিকা রেখেছে। অষ্টম উইকেটে ৪৫ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন ১৬ বলে ২০ রান করা তাসকিন।
এর আগে দ্বিতীয় উইকেটে ৯৬ রানের জুটি গড়েন নাজমুল ও তানজিদ। ৫৪ রান করেন তানজিদ। ৬৭ রান করেন নাজমুল।
মোসাদ্দেক ও হৃদয় পঞ্চম উইকেটে ৭৫ রানের জুটি গড়েন। ৩১ রান করেন হৃদয়।
অস্ট্রেলিয়া ৭ বোলার ব্যবহার করেছে। ৩৮ রানে ৩ উইকেট নেন পেসার নাথান এলিস।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৮৪/৮ (মোসাদ্দেক ৮৬*, নাজমুল ৬৭, তানজিদ ৫৪; এলিস ৩/৩৮, স্কট ২/৫৭, রেনশ ২/৩৫)।
৩টা পাঁচে শেষ হয়েছিল বাংলাদেশের ইনিংস। এরপর মাঝে ইনিংস বিরতি ছিল আধঘণ্টা। তবে তা শেষ হওয়ার পরও ম্যাচ শুরু হয়নি, কারণ মাঝে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। সেটা অবশ্য থেমে গেছে আগেই। দুই দলের ক্রিকেটাররাও মাঠে নেমেছেন—নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট পর শুরু হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার রান তাড়া।
অস্ট্রেলিয়া: ১ ওভারে ২/১
প্রথম বলেই বোল্ড ম্যাথু শর্ট। তাসকিনের গতি ও ইন-সুইংয়ে পরাস্ত হলেন শর্ট। বাংলাদেশের দারুণ শুরু।
অস্ট্রেলিয়া: ২ ওভারে ৩/২
বাংলাদেশের জন্য একবারে স্বপ্নের মতো শুরু! শেষ মুহূর্তে দারুণ এক রিভিউ নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক! মোস্তাফিজের ভেতরে ঢোকা বলটি ডিফেন্ড করতে গিয়ে লাইন মিস করেন লাবুশেন, বল আঘাত হানে প্যাডে।
জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে একদম শেষ সেকেন্ডে রিভিউ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মিরাজ। রিপ্লেতে দেখা যায় বল সরাসরি লেগ স্টাম্পে আঘাত হানত।
অস্ট্রেলিয়া: ৪ ওভারে ১০/২
জীবন পেলেন কুপার কনোলি। মোস্তাফিজের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছিলেন কনোলি, তানজিদ সহজ ক্যাচটি নিতে পারেননি। হয়েছে চার।
অস্ট্রেলিয়া: ১১ ওভারে ৫২/৩
সর্বশেষ দুই ইনিংসেই পেয়েছেন ফিফটি। আজও দারুণ খেলছিলেন। তবে নাহিদ রানার বলে ১৯ রানে ফিরেছেন এই সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দেওয়া জশ ইংলিস।
আউটের পর ইংলিসের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন নাহিদ রানা। তবে নাজমুলসহ অন্যরা পরিস্থিতি শান্ত করেছেন।
অস্ট্রেলিয়া: ২০ ওভারে ৯১/৪
১ রানে জীবন পেয়েছিলেন। এরপর বড় ইনিংসের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন ওপেনার কুপার কনোলি। তবে শেষ পর্যন্ত আউট হয়েছেন ৩৫ রান করে। মোসাদ্দেকের আর্ম ডেলিভারিতে হয়েছেন বোল্ড।
অস্ট্রেলিয়া: ২৯ ওভারে ১৩০/৫
ঠিক সময়ে ব্রেকথ্রু পেল বাংলাদেশ! দারুণ এক ডেলিভারিতে নাহিদ রানা ফেরালেন ৪৭ রান করা অ্যালেক্স ক্যারিকে। ভাঙল ক্যারি–গ্রিনের ৩৭ রানের জুটি।
অস্ট্রেলিয়া: ৩০ ওভারে ১৩৬/৬
আরও একটি উইকেট হারাল অস্ট্রেলিয়া। মোসাদ্দেকের টার্ন করা ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউ হয়েছেন ম্যাট রেনশ।
বেচার লিয়াম স্কট আর কীই বা করবেন! নাহিদ রানার ১৪৬ কিলোমিটার গতিতে ধেয়ে আসা বাউন্সারে গালিতে হৃদয়ের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন অভিষিক্ত স্কট।
এখন পর্যন্ত ৩ উইকেট নিয়েছেন নাহিদ রানা। নিয়মিত বোলিং করছেন ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার গতিতে। কোনোটির গতি ছাড়িয়েছে ১৫০ এর মাইলফলকও।
অস্ট্রেলিয়া: ৩২.২ ওভারে ১৪০/৮
নাহিদ রানার বাউন্সারে এবার আউট হলেন বার্টলেট। ঘণ্টায় ১৪৮.৫ কিলোমিটার গতির বাউন্সারে বার্টলেট আউট হয়েছেন ১ রান করে। ৮ উইকেট নেই অস্ট্রেলিয়ার।
অস্ট্রেলিয়া: ৩৬.৪ ওভারে ১৫৬/৯
জয়ের খুব কাছে বাংলাদেশ। নাথান এলিসকে আউট করেছেন মোস্তাফিজ। তাতে অস্ট্রেলিয়া হারিয়েছে নবম উইকেট। দারুণ ক্যাচ নিয়েছেন মোসাদ্দেক।
৫ উইকেট হলো না নাহিদ রানার। তবে কাজের কাজটা করে দিয়েছেন এই পেসার। নিয়েছেন ৪ উইকেট। বাংলাদেশের এই পেসার আউট করেছেন ইংলিস, ক্যারি, স্কট ও বার্টলেটকে।
বাংলাদেশের জয়ের অপেক্ষা বাড়াল বজ্রপাত। সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিততে বাংলাদেশের দরকার ১ উইকেট, অস্ট্রেলিয়ার লাগবে ৪৬ বলে ৯৪ রান।
মিরপুরে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। এখন আর খেলা না হলে বাংলাদেশ ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ম্যাচটি জিতবে ৮৬ রানে।
অবশেষে ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ। মিরপুরে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে জিতেছে ৮৬ রানে।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ সর্বশেষ ওয়ানডে জিতেছে ২০০৫ সালে। মানে ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে জিতেছে বাংলাদেশ। ২০০৫ সালের সেই জয়টি এসেছিল কার্ডিফে। মানে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয়।
এই জয়ে নাহিদ রানা বল হাতে উইকেট নিয়েছেন ৪টি। ব্যাট হাতে অপরাজিত ৮৬ রানের পর বল হাতে ২ উইকেট নিয়েছেন মোসাদ্দেক।