ভারত: ১৫ ওভারে ১৪৬/৪
তিলক ও স্যামসনের জুটি থেকে এসেছে ২৬ বলে ৪২। এই জুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিচ্ছিল। ১৫ বলে ২৭ রান করে তিলকের বিদায়ে ম্যাচে ফিরল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোল্ডারের বলে দারুণ ক্যাচ নিয়েছেন হেটমায়ার।
৪১ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত স্যামসন।
ভারত: ১৩ ওভারে ১২১/৩
১১তম ওভার—৩
১২তম ওভারে—৩
১৩তম ওভারে—১৭
শেষ ৭ ওভারে ভারতের রান লাগবে ৭৫।
ভারত: ১১ ওভারে ১০১/৩
১৬ বলে ১৮ রান করে ফিরলেন সূর্যকুমার। শামার জোসেফের করা নিজের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলে সূর্যকে আউট করেছেন তিনি। কাভারে দারুণ ক্যাচ নিয়েছেন রাদারফোর্ড।
ভারত: ১০ ওভারে ৯৮/২
টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ফিফটি করলেন স্যামসন। এটি এসেছে বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে। ২৬ বলে ফিফটি করেছেন স্যামসন।
ভারত: ৫ ওভারে ৪৫/২
অভিষেকের পর আউট হলেন ইশান কিষাণও। জেসন হোল্ডারের বলে পুল করতে গিয়ে স্কয়ার লেগে হেটমায়ারের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ইশান। ৬ বলে ১০ রান করেছেন।
ভারত: ৩ ওভারে ২৯/১
বড় ম্যাচে ব্যর্থ হলেন অভিষেক। আকিল হোসেনের বলে ১১ বলে ১০ রান করে আউট হয়েছেন অভিষেক। তবে সঞ্জু স্যামসন উইকেটে টিকে আছেন। ১৮ রানে অপরাজিত স্যামসন।
বড় সংগ্রহই গড়ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অলিখিত কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতকে ১৯৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে তারা।
শাই হোপ ছাড়া আজ ভারতের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সবাই ১৫০ এর বেশি স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করেছেন। ৩৩ বলে ৩২ রান করেছেন হোপ।
হোপ এমন ইনিংস খেলে ফেরার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের রানের গতি বাড়িয়েছিলেন ১২ বলে ২৭ রান করা হেটমায়ার ও ২৫ বলে ৪০ রান করা রোস্টন চেজ। তবে এই দুজন ও শেরফানে রাদারফোর্ডের বিদায়ে চাপে পড়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সেখান থেকে ৩৫ বলে ৭৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে জেসন হোল্ডার ও রোভম্যান পাওয়েল দলের রানটাকে ২০০ এর কাছাকাছি নিয়ে গেছে।
হোল্ডার ৩৭, পাওয়েল ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২০ ওভারে ১৯৫/৪ (হোল্ডার ৩৭*, পাওয়েল ৩৪*; বুমরা ২/৩৬, পান্ডিয়া ১/৪০)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৬ ওভারে ১৪৯/৪
হাত খুলছেন পাওয়েল। অর্শদীপের করা ইনিংসের ১৬তম ওভারে দুই ছক্কা ও এক চার মেরেছেন পাওয়েল।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৫ ওভারে ১২৫/৪
ছন্দে থাকা রাদারফোর্ড রান পেলেন না আজ। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ১৪ রান করা রাদারফোর্ড।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১২ ওভারে ১০৩/৩
হেটমায়ার থিতু হতেই সূর্যকুমার বুমরার হাতে বল তুলে দেন। বুমরার কাজই ছিল হেটমায়ারের উইকেট টা নেওয়া। সেটা তিনি করেছেন। বুমরার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। হেটমায়ার করেছেন ১২ বলে ২৭।
একই ওভারে পঞ্চম বলে ২৫ বলে ৪০ রান করে সূর্যকুমারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন রোস্টন চেজ।
৩৩ বলে ৩২ রান করে ফিরলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ। শুরু থেকেই সাবলীলভাবে খেলতে পারছিলেন না হোপ। ৯ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যে ৭০ রানও করতে পারেননি তার বড় কারণ এটাই।
নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে এসেছেন শিমরন হেটমায়ার।
নতুন ওপেনার চেজ দারুণই খেলছেন। ১৮ বল খেলে এখন পযর্ন্ত তুলেছেন ৩৫ রান। তবে অধিনায়ক হোপ ৩০ বলে করেছেন ৩১ রান। এই ৮ ওভারে বুমরা করেছেন একটি ওভার।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৬ ওভারে ৪৫/০
ইনিংসের পঞ্চম ওভারে নিজের প্রথম ওভারে এসেই সুযোগ তৈরি করেছিলেন বুমরা। তাঁর স্লোয়ারে কাভারের ওপর ক্যাচ দেন রোস্টন চেজ। তবে সহজ সেই ক্যাচ ছেড়ে দিয়েছেন অভিষেক। ১৪ রানে জীবন পেয়েছেন চেজ।
চেজ অপরাজিত ২০ রানে, হোপ ২৫ রানে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৩ ওভারে ২৩/০
হোপ–চেজের নতুন ওপেনিং জুটি খেলছে সাবধানে। অর্শদীপ সিংয়ের সঙ্গে নতুন বলে বোলিং করেছেন অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। ২ ওভারে অর্শদীপ খরচ করেছেন ১৩ রান, হার্দিক এক ওভারে ১০।
যশপ্রীত বুমরা কখন বোলিংয়ে আসেন সেটাই দেখার বিষয়।
কলকাতায় টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। কলকাতার উইকেট সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভালো হয়। সেই বিবেচনাতেই ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপও টসে জিতলে ফিল্ডিং নিতেন বলেই জানিয়েছেন।
‘কোয়ার্টার ফাইনাল’ নামে কিছু নেই টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে। তবে কলকাতায় আজ ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচটার পাশে এই শব্দ যুগল ব্যবহার করতেই হচ্ছে। সুপার এইটের ১ নম্বর গ্রুপের শেষ ম্যাচটি যে নকআউট হয়ে গেছে!
ভারত কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আজ যারাই জিতবে তারাই উঠে যাবে সেমিফাইনালে। আর হারলে বিশ্বকাপের বাকি অংশটা দেখতে হবে দর্শক হিসেবে। আবহাওয়া বা অন্য কোনো কারণে ম্যাচটি শেষ হতে না পারলে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ উঠে যাবে শেষ চারে।