২২ বছর বয়সী বেথেল মুম্বাইয়ে দেখালেন কেন তাঁকে স্পেশাল ট্যালেন্ট বলা হয়। করলেন ৪৫ বলে সেঞ্চুরি। তবে এটিও যথেষ্ট হলো না। শেষ পর্যন্ত জিতেছে ভারত।২৫৩ রান তাড়ায় ইংল্যান্ড থেমেছে ২৪৬ রানে।
১৮ ওভার পর্যন্ত ম্যাচে ভালোভাবেই ছিল ইংল্যান্ড। শেষ ২ ওভারে তাদের লাগত ৩৯ রান। এই ২ ওভার করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া ও শিবম দুবে। তবে পান্ডিয়া ১৯তম ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়েছেন। কারেনের ১৪ বলে ১৮ রানের ইনিংসটাও ইংল্যান্ডকে পিছিয়ে দিয়েছে।
রোববার বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারত।
ভারত: ২০ ওভারে ২৫৩/৭ (স্যামসন ৮৯, দুবে ৪৩, কিষান ৩৯; জ্যাকস ২/৪০, রশিদ ২/৪১)। ইংল্যান্ড: ২০ ওভারে ২৪৬/ ৭ (বেথেল ১০৫, জ্যাকস ৩৫; পান্ডিয়া ২/৩৮, বুমরা ১/৩৩)। ফল: ভারত ৭ রানে জয়ী। ম্যাচসেরা: সঞ্জু স্যামসন।
জয়ের পথে ভারত। শেষ ওভারে ভারতকে হারাতে করতে হবে ৩০ রান। কাজটা অনেকটাই অসম্ভব। স্ট্রাইকে সেঞ্চুরি করা বেথেল।
ছক্কা এবং সেঞ্চুরি!
৪৫ বলে বেথেলের সেঞ্চুরি। টি–টুয়েন্টিতে এটাই তাঁর প্রথম সেঞ্চুরি। সেটিও এলো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে।
একই ওভারে আউট হয়েছেন স্যাম কারেন। ১৪ বলে ১৮ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলেছেন এই বাঁহাতি।
ইংল্যান্ড: ১৮ ওভারে ২১৫/৫
১৮তম ওভারে বুমরা দিলেন মাত্র ৬ রান। শেষ ২ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ৩৯ রান।
ইংল্যান্ড: ১৭ ওভারে ২০৯/৫
৩ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ৪৫ রান। সেঞ্চুরি করতে ৬ রান লাগবে বেথেলের।
৫ ওভারে লাগবে ৬৯ রান।
ভাঙল ৭৭ রানের জুটি।
বেথেল ও জ্যাকসের এই জুটি ভারতকে চোখরাঙানি দিচ্ছিল। ভারত এই উইকেটটি পেয়েছে অক্ষর অসাধারণ ক্যাচে।
কাভারে তাঁর নেওয়া এই ক্যাচে অবশ্য স্কোরবোর্ডে থাকবে শিবম দুবের নাম। কারণ ক্যাচ নিয়ে সীমানার বাইরে যাওয়ার আগে দুবের হাতে বল ছুঁড়ে দিয়েছেন অক্ষর। দুবে বাকি কাজটা করেছেন।
এর আগে অসাধারণ এক ক্যাচ নিয়ে ব্রুককে আউট করেছিলেন অক্ষর।
ইংল্যান্ড: ১৩ ওভারে ১৬০/৪
৭ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ৯৪। সম্ভব? আধুনিক ক্রিকেটে অসম্ভব বলে কিছু নেই।
৬৫ রানে অপরাজিত বেথেল, ৩৫ রানে জ্যাকস।
ইংল্যান্ড: ১১ ওভারে ১৩৫/৪
শেষ ৯ ওভারে ইংল্যান্ডের লাগবে ১২৩ রান। কাজটা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। লাগবে স্পেশাল ইনিংস। কে খেলবেন?
উইকেটে ৫০ রান করে অপরাজিত আছেন বেথেল। ১৯ বলে ফিফটি করেছেন এই বাঁহাতি, এবারের আসরে এটি যৌথভাবে দ্রুততম ফিফটি।
প্রথম বল: ছক্কা
দ্বিতীয় বল: ছক্কা
তৃতীয় বল: বোল্ড
অক্ষর প্যাটেল বনাম টম ব্যান্টন।
৫ বলে ১৭ রান করে আউট হয়েছেন ব্যান্টন।
ইংল্যান্ড: ৬ ওভারে ৬৮/৩
বাটলার বরুণ চক্রবর্তীর বলে বোল্ড হয়েছেন ১৭ বলে ২৫ রান করে। এই ম্যাচের হিসাবে এটাকে ধীরগতির ইনিংসই বলতে হবে। ইংল্যান্ডের এখন ভরসা বেথেল ও ব্যান্টনে।
ইংল্যান্ড: ৫ ওভারে ৪৫/২
ফিল্ডিংয়ে সহজ ক্যাচ ছেড়েছেন। তাঁর ক্যাচ মিসের কল্যাণে স্যামসন খেলেছেন ৮৯ রানের ইনিংস।
এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ব্রুক আউট হলেন অক্ষরের এক কঠিন ক্যাচে। বুমরার করা স্লোয়ারে কাভারের ওপর ক্যাচ দেন ব্রুক। ২৪ মিটার দৌড়ে সেই ক্যাচ নিয়েছেন অক্ষর।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফিরলেন ফিল সল্ট। হার্দিক পান্ডিয়ার করা প্রথম বলেই ৫ রান করে ফিরেছেন সল্ট।
এ কেমন পিটুনি! রীতিমতো অভিষেক বাদে যেই উইকেটে এসেছেন, বেধড়ক পিটুনি দিয়েছেন। স্যামসন থেকে শুরু হয়ে পিটুনি শেষ হয়েছে পান্ডিয়াতে এসে। সবাই মিলে ইংলিশ বোলারদের পিটুনি দিয়ে ৭ উইকেটে ২৫৩ রান করেছে ভারত। সর্বোচ্চ ৮৯ রান করেছেন স্যামসন।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে এত রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড নেই। তবে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ২২৯ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড ইংল্যান্ডেরই। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউটে সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড ১৯৩। সব ধরনের টি–টুয়েন্টিতে ২৫০ রানের বেশি সংগ্রহ তাড়া করে জেতার ঘটনা আছে চারটি।
ভারত: ২০ ওভারে ২৫৩/৭ (স্যামসন ৮৯, দুবে ৪৩, কিষান ৩৯; জ্যাকস ২/৪০, রশিদ ২/৪১)
ভারত: ১৭.৩ ওভারে ২১৩/৫
টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ইনিংসে কোনো দলের সর্বোচ্চ রান ২৬০। সেই রেকর্ড কি ভারত ভেঙে ফেলবে? হতেও পারে!
সেই মিশনে বড় ধাক্কা খেয়েছে ভারত। ২৫ বলে ৪৩ রান করে রানআউট হয়েছেন দুবে।
ভারত: ১৬ ওভারে ১৯০/৪
৬ বলে ১১ রান করে আউট সূর্যকুমার। আদিল রশিদের বলে স্টাম্পড হয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক। উইকেটে হার্দিক পান্ডিয়া।
ভারত: ১৩.১ ওভারে ১৬০/৩
সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন। তবে জ্যাকসের বলে সল্টের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৪২ বলে ৮৯ রান করে ফিরেছেন এই ওপেনার।
১৫ রানে স্যামসনের সহজ ক্যাচ ছেড়েছিলেন ব্রুক। এরপর ৩৫ বলে ৭৩ রান যোগ করেছেন স্যামসন।
ভারত: ১২ ওভারে ১৪৫/২
রশিদের ওভার থেকেও এসেছে ১৫। ঈশান কিষানের বিদায়ের পর নামা দুবেও বেধড়ক পিটুনি দিচ্ছেন। ৯ বলে ১৭ রানে অপরাজিত দুবে। ৩৮ বলে ৭৬ রানে স্যামসন। কত রান করবে ভারত?
ভারত: ১০ ওভারে ১১৯/২
দ্বিতীয় ওভারে এসে উইকেট দিলেন আদিল রশিদ। ৩৯ রান করে লং অফে জ্যাকসের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ঈশান কিষান। ভাঙল ৯৭ রানের জুটি।
৬৬ রানে অপরাজিত স্যামসন।
নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে এসেছেন শিবম দুবে।
ভারত: ৯ ওভারে ১১২/১
ছক্কা মেরে ফিফটি পূর্ণ করলেন স্যামসন। মাত্র ২৬ বলে টানা দ্বিতীয় ফিফটি পেলেন তিনি।
লিয়াম ডসন প্রথম ওভার করতে এসে খরচ করেছেন ১৯ রান। বেধড়ক পিটুনিতে ঈশান কিষানও স্যামসনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। ১৬ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত কিষান। এই জুটি থেকে এসেছে অবিচ্ছিন্ন ৪১ বলে ৯১ রান।
ভারত: ৬ ওভারে ৬৭/১
একা স্যামসনই পাওয়ার প্লেতে ভারতকে জিতিয়ে দিল। ২০ বলে ৪১ রানে অপরাজিত আছেন এই ব্যাটসম্যান। ১৫ রানে জীবন পেয়েছিলেন স্যামসন।
নতুন বলে ইংল্যান্ডের ভরসা আর্চার ২ ওভারে রান দিয়েছেন ২৬।
ভারত: ৩ ওভারে ৩৪/১
০, ০ ,০ , ১৫, ৫৫, ১০ এরপর আজ অভিষেক ফিরেছেন ৯ রানে। উইল জ্যাকসের বলে মিডউইকেটে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন ভারতীয় ওপেনার।
পরের ওভারে জফরা আর্চারের বলে জীবন পেয়েছেন সঞ্জু স্যামসন। মিড অনে খুবই সহজ ক্যাচ ফেলে দিয়েছেন হ্যারি ব্রুক। ১১ বলে ২৫ রানে অপরাজিত স্যামসন।
টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব জানিয়েছেন, তিনি টসে জিতলে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্তই নিতেন।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম সেমিফাইনালের জন্য প্রস্তুত। ভারত ও ইংল্যান্ড তাদের সেরা দুই পেসারকে কীভাবে ব্যবহার করে, তা গড়ে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্য। একদিকে আছেন জফরা আর্চার, অন্যদিকে যশপ্রীত বুমরা।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত ৭ ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়েছেন আর্চার। পাওয়ার প্লেতে ম্যাচপ্রতি গড়ে তাঁকে দিয়ে প্রায় তিন ওভার করে বোলিং করিয়েছে ইংল্যান্ড। এই ৭ ম্যাচের মধ্যে পাঁচ ম্যাচেই পাওয়ারপ্লেতে উইকেট নিয়েছেন আর্চার। এবার টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের ইনিংসে প্রথম ৬ ওভারের মধ্যে আর্চারই সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন।
বুমরার ভূমিকা একটু আলাদা। ভারত যখনই বিপদ বুঝেছে, তখনই তাঁকে আক্রমণে এনে উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করেছে। পাওয়ারপ্লেতে গড়ে এক ওভারের সামান্য বেশি বোলিং করেছেন বুমরা। তবে এবার টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচে পাওয়ারপ্লেতে একটি ওভারও বোলিং করেননি বুমরা।
ভারতের এই ফাস্ট বোলারের ভূমিকা মূলত দুরকম—আক্রমণ ও রক্ষণ। বিপদের সময় উইকেট এনে দেওয়ার পাশাপাশি রানের চাকা আটকানো। ব্লক হোলে বল ফেলতে পারেন ধারাবাহিকভাবে। শট খেলতে জায়গা দেন না। এবার বিশ্বকাপে ১২ ওভারের বেশি বল করা বোলারদের মধ্যে কেবল ম্যাথু ফোর্ডের ইকোনমি রেটই বুমরার (৬.৩০) চেয়ে ভালো।
মুম্বাইয়ে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায়। এর আধা ঘণ্টা আগে হবে টস।