হায়দরাবাদ কিংসম্যান
হায়দরাবাদ কিংসম্যান

এক ম্যাচে চার একাদশ—পিএসএলে নতুন নিয়ম

ম্যাচ হয়েছে একটি। তাতে দুই দলের অধিনায়ক মিলে একাদশ সাজিয়েছেন চারটি। গতকাল পাকিস্তান সুপার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে ঘটেছে এ ঘটনা। লাহোর কালান্দার্সের অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হায়দরাবাদ কিংসম্যানের অধিনায়ক মারনাস লাবুশেন দুটি করে মোট চারটি একাদশ নিয়ে টস করতে নেমেছিলেন।

না, তাঁরা ভুল করেননি!

পিএসএলের প্লেয়িং কন্ডিশনে নতুন একটি নিয়ম যুক্ত হওয়ায় এমন কিছু দেখা গেল। অর্থাৎ পিএসএলের পরের ম্যাচগুলোতেও এমনটাই দেখা যাবে। নতুন নিয়মানুযায়ী, টসের আগে অধিনায়কেরা ম্যাচ রেফারির কাছে দুটি একাদশ জমা দিতে পারবেন এবং টসের পর তাঁরা সেখান থেকে একটি একাদশ চূড়ান্ত করতে পারবেন।

পিএসএলের ‘খেলোয়াড় মনোনয়ন ও পরিবর্তন’ বিভাগের ১.২.১ ধারায় বলা হয়েছে, ‘টসের আগে, প্রত্যেক অধিনায়ক পিএসএল ম্যাচ রেফারির কাছে লিখিতভাবে দুটি একাদশের তালিকা জমা দিতে পারেন। প্রতিটি তালিকায় ১১ জন খেলোয়াড় এবং সর্বোচ্চ ৪ জন বদলি ফিল্ডার থাকতে হবে (ধারা ১.২.৫ অনুযায়ী)। টসের পর, প্রতিটি অধিনায়ককে নির্বাচিত তালিকাটিতে স্বাক্ষর করে দুটি তালিকার মধ্যে একটি চূড়ান্ত করতে হবে। একবার একাদশ চূড়ান্ত হলে, প্রতিপক্ষ অধিনায়কের সম্মতি ছাড়া ম্যাচ শুরুর আগে একাদশে থাকা কোনো খেলোয়াড় পরিবর্তন করা যাবে না।’

কাল প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছেন মোস্তাফিজরা

কেন এই নতুন নিয়ম

এশিয়ার দেশগুলোতে রাতের ম্যাচে শিশিরের কারণে টস বড় ভূমিকা পালন করে। রাতে শিশিরে বল প্রায়ই ভিজে যায় এবং স্পিনারদের জন্য গ্রিপ করা কঠিন হয়ে পড়ে, যা দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের অকার্যকর করে তোলে। খেলার নিয়মের এই পরিবর্তন টসের ভূমিকা কমিয়ে সমান সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন এই নিয়মের ফলে দলগুলো টসের ফল দেখে নিজেদের একাদশ সাজানোর সুযোগ পাবে। যে দল আগে ব্যাটিং করবে, তারা একজন স্পিনারের বদলে বাড়তি ফাস্ট বোলার খেলানোর সুযোগ পাবে, পরে বোলিং করলে দলগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটিং লাইনআপও আরও শক্তিশালী করে নিতে পারবে।

টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচে অবশ্য শিশিরের প্রভাব ছিল না।