সিলেট টেস্ট জয়ের পর বাংলাদেশ দল
সিলেট টেস্ট জয়ের পর বাংলাদেশ দল

বাংলাদেশ এখন সেরা দলগুলোর মুখোমুখি হতে প্রস্তুত—ওয়াসিমের প্রশংসাপত্র

পাকিস্তান পেসার–প্রসবা ভূমি। ওয়াসিম আকরাম সেই ভূমির ‘সুলতান অব সুইং।’ তাঁর মুখে বাংলাদেশ দলের কোনো ফাস্ট বোলারের প্রশংসা শুনলে শিহরণ জাগাই স্বাভাবিক।

সিলেট টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৭৮ রানে জেতার পর নিজের ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি। সেখানে বর্তমান বাংলাদেশ দলকে যেন নতুন করে আবিষ্কার করেছেন ১০৪ টেস্টে ৪১৪ উইকেট নেওয়া সাবেক এ বাঁহাতি পেসার।

সিলেট টেস্ট জয়ের মধ্য দিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে ২–০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ। এই সিরিজে সর্বোচ্চ রান ও উইকেটেও বাংলাদেশের খেলোয়াড়দেরই দাপট। দুই টেস্ট মিলিয়ে ১০ দিনের খেলায় পাকিস্তান ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে ছিল খুব কমই।

নাজমুল–নাহিদদের এই পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ওয়াসিম তাঁর স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় হার দেখাটা সত্যিই হতাশাজনক। তবে বিজয়ীদের পুরো কৃতিত্ব দিতেই হবে। কারণ, তারা “কমপ্লিট” ক্রিকেট খেলেছে।’

ওয়াসিম তাঁর পোস্টে এরপর লিখেছেন, ‘একসময় বাংলাদেশের উইকেট মানেই ছিল মন্থর, নিচু বাউন্স আর স্পিন-সহায়ক। কিন্তু উদীয়মান পেসারদের সহায়তায় এখন তারা চমৎকার টেস্ট উইকেট বানাচ্ছে, যারা গতিতে পাকিস্তানকেই টেক্কা দিয়েছে।’

৫৯ বছর বয়সী কিংবদন্তি টেস্টে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতও দেখছেন। পাশাপাশি প্রশংসা করেছেন নাহিদ রানারও, ‘টেস্ট সংস্করণে সেরা দলগুলোর সঙ্গে লড়াই করতে বাংলাদেশ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। আর নাহিদ রানা, কী অসাধারণ এক প্রতিভা! তার বোলিং চোখজুড়ানো। অভিনন্দন বাংলাদেশ!’

বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা

দুই টেস্টের এ সিরিজে সর্বোচ্চ ১৩ উইকেট বাংলাদেশের স্পিনার তাইজুল ইসলামের। ১১ উইকেট নিয়ে দুইয়ে নাহিদ রানা। শুধু উইকেট নেওয়া নয়, পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের গতিতেও ভয় ধরিয়েছেন এই ফাস্ট বোলার। রানে মুশফিকুর রহিম শীর্ষে (২৫৩), লিটন দাস ২৩৯ রান নিয়ে দুইয়ে।