
অস্ট্রেলিয়ার হাতে আছে ৬ উইকেট। বাংলাদেশকে আরেকবার ব্যাট করাতে ৬৬ রান করতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশ যে খুব ভালো অবস্থানে আছে, তা এখন স্বীকার করবেন সবাই।
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে গিয়ে এ রকম ঘটনা একরকম অবিশ্বাস্যই। ২০০৩ সালে সর্বশেষ সিরিজে তারা দুই ম্যাচেই হেরেছিল ইনিংস ব্যবধানে। এখনো র্যাঙ্কিংয়ে ব্যবধানটা স্পষ্ট— অস্ট্রেলিয়া যেখানে এক নম্বর, বাংলাদেশ আছে নয়ে।
তাদের হারাতে পারলে তা তাই হবে বড় একটা ঘটনাই। এই যখন অবস্থা, তখন বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে কী অবস্থা? প্রশ্নটা আজ অধিনায়ক নাজমুল হোসেনকে করেছিলেন এই ম্যাচে ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করা অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।
উত্তরে নাজমুল বলেছেন, ‘আমরা সেশন ধরে ধরে দেখছি, ফলাফলের কথা ভাবছি না। আমরা আমাদের প্রক্রিয়া অনুসরণ করছি ও কেবল এটাই ভাবছি যে কীভাবে আমরা উইকেট নেব। পরিকল্পনা সেটাই ছিল, আর বোলাররা যেভাবে বল করেছে—বিশেষ করে এই পরিস্থিতিগুলোতে তা দেখে আমি সত্যিই খুব আনন্দিত।’
প্রথম ইনিংসে ৩০৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। লিটন দাস আউট হওয়ার পর স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের আর কোনো জুটি বাকি ছিল না। তবে এরপরও শেষ ৪ উইকেটে ১২০ রান যোগ করেছে বাংলাদেশ। সেটিই তাদের প্রথম ইনিংসে দুই শর বেশি রানের লিড এনে দিয়েছে।
ওই কৃতিত্বটা টেলএন্ডারদের দিতে ভোলেননি নাজমুল, ‘আমরা সব সময় লোয়ার-মিডল অর্ডার ও টেলএন্ডারদের ব্যাটিংয়ে অবদান রাখার বিষয়ে কথা বলি। আজ তারা সেই দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছে। দুই-তিন বছর ধরে আমরা এগুলোতে কাজ করার চেষ্টা করছি ও অনুশীলন করে যাচ্ছি। আজ বোলাররা ব্যাট হাতে তাদের দায়িত্ব চমৎকারভাবে পালন করেছে।’