বাঁধাধরা কোনো নিয়ম নেই। তবে টেলএন্ডারদের সঙ্গে প্রপার ব্যাটসম্যানরা ব্যাটিং করলে সাধারণত স্ট্রাইক কমই দেন। বিশেষ করে হুমকি হয়ে উঠতে পারেন এমন বোলারদের থেকে টেলএন্ডারদের দূরে রাখার চেষ্টা থাকে। ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে মেহেদী হাসান মিরাজও সেটাই করেছিলেন।
তবে ম্যাকাই টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। বাংলাদেশের ইনিংস ব্যবধানের হারের ম্যাচে মুশফিকুর রহিম বরং টেলএন্ডারদের দিয়েছেন বেশি স্ট্রাইক। যা নিয়ে চলছে সমালোচনা, উঠেছে প্রশ্নও। এমনকি ম্যাচ–পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনেও এসেছে প্রসঙ্গটি।
মুশফিক কতটা হাসান–তাইজুল–তাসকিনদের স্ট্রাইক দিয়েছেন, সেটা আগে দেখে নেওয়া যাক। হাসান মাহমুদের সঙ্গে মুশফিকের জুটি টিকেছিল ১২ বল। এর মধ্যে ১১ বলই খেলেছেন হাসান। তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ৩৪ বলের জুটিতে মুশফিক খেলেছেন মাত্র ১০ বল। আর তাসকিন আহমেদের সঙ্গে ১৮ বলের জুটিতে খেলেছেন ৭ বল।
অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশের টেলএন্ডাররা দারুণ ব্যাটিং করেছেন। এরপরও মিচেল স্টার্কদের মতো বোলারদের বিপক্ষে টেলএন্ডারদের বেশি স্ট্রাইক দেওয়া—বিষয়টি কীভাবে দেখছেন নাজমুল?
ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে নাজমুল বলেছেন, ‘আজকের খেলার পরিস্থিতি অনুযায়ী যারা লোয়ার মিডল অর্ডারে ব্যাটিং করেছে তারা এই সিরিজে খুবই ভালো ব্যাটিং করেছে। গত সিরিজ থেকে তারা অবদান রাখা শুরু করেছে, এটা একটা ইতিবাচক দিক। মুশফিক ভাই ওদেরকে নিয়ে খেলছিলেন। আজকের যে পরিস্থিতি ছিল, একা আসলে কিছু করা সম্ভব ছিল না।’
নাজমুল যোগ করে বলেছেন, ‘একটা ভালো জিনিস হয়েছে যে এখানে লোয়ার অর্ডাররা ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়েছে এবং এই বোলিংয়ের বিপক্ষে ব্যাটিং করেছে, যা ভবিষ্যতে কাজে দেবে। ওখানে একটা পরিকল্পনা ছিল, কারণ একা অনেক কিছু করা সম্ভব ছিল না। যারা মাঝখানে ব্যাটিং করেছে তারা ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে।’