আজ রোববার সন্ধ্যায় মালদ্বীপের রাজধানী মালে রওনা হওয়ার কথা ছিল বসুন্ধরা কিংসের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যেতে হচ্ছে না বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নদের। এএফসি কাপের ‘ডি’ গ্রুপের খেলা আপাতত স্থগিত করেছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন। ১৪ থেকে ২০ মে মালেতে হওয়ার কথা ছিল খেলা। মালদ্বীপে এএফসি কাপের ‘ডি’ গ্রুপের খেলা আর আয়োজন করা হবে না বলেও জানিয়েছে এএফসি। তবে সম্ভাব্য ভেন্যুর নাম এখনো জানায়নি তারা।
হতাশ বসুন্ধরার স্ট্রাইকার তৌহিদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ব্যাগপত্তরসহ সব গুছিয়ে বাসে তোলা হয়েছে। সবাই পোশাক পরে বিমানবন্দরে যাওয়ার জন্য রুম থেকে বেরিয়ে গেছি। মোনাজাত করে আমরা বাসে উঠব, ঠিক এমন সময় খবর এল খেলা বাতিল। ফলে, আমাদের ভীষণ মন খারাপ। যা–ই হোক, কিছু করার নেই।’
এ ব্যাপারে এএফসির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি এখনো। ক্লাবের কাছে ই–মেইল পাঠিয়ে শুধু জানানো হয়েছে আপাতত খেলা হবে না। তাই বসুন্ধরা যেন বিমানে না ওঠে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
জানা গেছে, করোনার কারণে মালদ্বীপে ভ্রমণ–নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে গতকাল। দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশ থেকে মালদ্বীপের আপাতত কেউ ভ্রমণ করতে পারবে না। টুর্নামেন্ট স্থগিত বা বাতিলের এটাই কারণ বলে মনে করা হচ্ছে, এমনটাই জানিয়েছেন বাফুফের কমপিটিশন ব্যবস্থাপক জাবের বিন তাহের আনসারী।
করোনার কারণে টুর্নামেন্ট বাতিলের দাবি উঠেছিল আগেই। কিন্তু সেই দাবি না মেনে খেলা চালিয়ে নিতে চেয়েছিল এএফসি। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারেনি এশিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি। ৪ ক্লাবের ‘ডি’ গ্রুপে সরাসরি খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস, মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস ও কলকাতা মোহনবাগানের। চতুর্থ দলটি হওয়ার কথা ছিল ভারতের বেঙ্গালুরু এফসি ও মালদ্বীপের ইগলস ক্লাবের মধ্যকার ম্যাচের জয়ী দল।
গত বছর করোনার কারণে বাতিল করা হয় এএফসি কাপ। বসুন্ধরা কিংস একটি ম্যাচ খেলার পরই করোনার হানায় স্তব্ধ হয়ে যায় সবকিছু। পরিস্থিতি যা, এবারও হয়তো একই পরিণতি হবে এশিয়ার দ্বিতীয় সারির এই ক্লাব টুর্নামেন্টের।