
>সাফ ফুটবলে আজ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হবে সন্ধ্যা সাতটায়।
‘প্রথম ম্যাচে জয়ে ফাইনাল অর্ধেক নিশ্চিত’, আত্মবিশ্বাসের টনিক হিসেবে কথাটি বেশ চালু ফুটবলে। ভুটানকে হারিয়ে আপাতত আত্মবিশ্বাস অর্জনের কাজটি করে রেখেছে বাংলাদেশ। কিন্তু ফাইনালের আগে গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে সেমিফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন তো করতে হবে। পাকিস্তানকে হারাতে পারলে সে লক্ষ্য প্রায় পূরণ হয়ে যেতে পারে আজই।
সামনে আজ প্রতিপক্ষ শুধু পাকিস্তানই নয়, বাংলাদেশের বাধা বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার তিন বন্ধুও। বোঝাই যাচ্ছে, পাকিস্তান দলে আছেন জামালের তিন বন্ধু। জামালের সঙ্গে ডেনমার্কে বেড়ে ওঠা ও সেখানকার ঘরোয়া ফুটবলে খেলেছেন ইউসুফ বাট, হাসান বশির ও মোহাম্মদ আলী। জামাল যেমন বাংলাদেশের জার্সিতে আলো ছড়াচ্ছেন, ঠিক তেমনি পাকিস্তানের জার্সিতে তাঁরাও। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আজ ৯০ মিনিটের জন্য নিশ্চয়ই বন্ধুত্বের কথা ভুলে যাবেন জামাল। তাঁদেরও মনে রাখার কথা নয়।
২০১২ সালে জামাল বাংলাদেশে এসে খাপ খাইয়ে নিতে না পেরে ডেনমার্কে ফিরে গিয়েছিলেন, সে বছরই পাকিস্তান জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ওঠে জামালের সাবেক হেলেরুপ ক্লাবের সতীর্থ গোলরক্ষক ইউসুফের। এরপর থেকেই পাকিস্তান জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ বর্তমানে ডেনমার্কের ক্লাব গ্রিভ ফোডবল্ডের এই গোলরক্ষক। প্রবাসী ফুটবলার হিসেবে শিকড়ের দেশে খেলার জন্য দুজন দুজনের কাছ থেকে নেন অনুপ্রেরণা। দূরত্বটা অনেক বেড়ে গেলেও যোগাযোগটা সব সময় হয় বলে জানালেন ইউসুফ, ‘জামালের সঙ্গে আমার সব সময় যোগাযোগ আছে। আজও (গতকাল) সকালে হোটেলে দেখা। কথাও হয়েছে। কিন্তু ফুটবল নিয়ে কথা হয়নি।’
জামাল আজ তাঁর গোলরক্ষক বন্ধুর পরীক্ষা নিতে পারবেন কি না, কে জানে। তবে তাঁকে পরীক্ষা দিতে হবে ফরোয়ার্ড বন্ধু আলীর কাছে। গত ম্যাচেই নেপালের বিপক্ষে হেডে দুর্দান্ত গোল করে সাফে দারুণ শুরুর আভাস দিয়েছেন বিএসভিতে খেলা ২৯ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার। অন্য বন্ধু হাসান বশিরও আজ জামালের পরীক্ষা নিতে পারতেন। কিন্তু আজ তাঁর একাদশে থাকাটা একটু অনিশ্চিত।