টমাস ডুলি বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন এক সপ্তাহও হয়নি। ২৫ মে থেকে একটানা চলা অনুশীলনই নতুন কোচ ও খেলোয়াড়দের একে অপরকে চেনার যা একটু সুযোগ করে দিয়েছে। আর সপ্তাহখানেকের এই চেনা-বোঝার অভিজ্ঞতাতেই কোচ নিয়ে বেশ খুশি তপু বর্মণ।
জাতীয় দলের এই ডিফেন্ডার ডুলির কোচিং ও মানসিক ধরন তুলে ধরে বলেছেন, এমন ব্যক্তিত্বের কোচই দরকার দলের জন্য। মার্কিন বংশোদ্ভূত জার্মান এই কোচের ফুটবল-দর্শনের সঙ্গে এগোলে দল ভালো করতে পারবে বলে বিশ্বাস তপুর।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হিসেবে ডুলির অভিষেক হবে ৫ জুন সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচটি খেলতে রোববার ঢাকা ছেড়েছে বাংলাদেশ দল। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের ডুলি অনুশীলনে নতুন কী করেছেন প্রশ্নে তপু বলেন, ‘তিনি ডিফেন্সের খেলোয়াড় ছিলেন। দুই বিশ্বকাপ খেলেছেন। তাঁর প্রথম কথাই হচ্ছে দল হিসেবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হবে গোল হজম না করা। আমরা যদি গোল না খাই, তাহলে আমরা আমরা গোল দিতে পারব, ম্যাচও জিততে পারব।’
যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে খেলা ডুলি বাংলাদেশে আসার আগে গায়ানা ও ফিলিপাইনের কোচ ছিলেন। এক সপ্তাহের অনুশীলনে এই কোচ সম্পর্কে মিশ্র অভিজ্ঞতাই হয়েছে তপুর, ‘খুবই ফ্রি মেন্টালিটির (মুক্ত মনের), পাশাপাশি স্ট্রং এবং হার্ড। আসলে এটাই প্রয়োজন। একটা জাতীয় দলের দলের কোচ এ রকম ব্যক্তিত্বেরই দরকার।’
তপুর আশা, যত বেশি দিন যাবে, কোচের সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়াও বাড়বে, ‘তাঁর যে দর্শন, সেটাতে আমরা পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে পারব।’
সান মারিনো ইউরোপের দল হলেও শক্তিমত্তায় বাংলাদেশের চেয়ে বেশ পিছিয়ে। এই মুহূর্তে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের সর্বনিম্ন অবস্থান ২১১ নম্বরে আছে ইতালির পেটের মধ্যে অবস্থিত খুদে দেশটি। ৫ জুন সান মারিনোর সেরাভাল স্টেডিয়ামের ম্যাচে জয়ই বাংলাদেশের লক্ষ্য বলে জানান তপু, ‘তাদের অনেক খেলোয়াড় ইউরোপে খেলে। বেশির ভাগ সময় ইউরোপের দলের সঙ্গে খেলে। আমরা ওটা মাথায় রেখেই আগাবো। আশা করি, ম্যাচ জিতে দেশবাসীকে ঈদ উপহার দিতে পারব।’
বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজার আমের খান জানান, সান মারিনোতে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন হামজা চৌধুরী, শমিত সোম ও জায়ান আহমেদ।