
ব্রাজিল ম্যাচ হারেনি, জেতেওনি। মাঝামাঝি ফল ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। তবে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ের পর দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সরাসরি অসন্তোষই প্রকাশ করেছেন দানিলো। ২৫ বছর বয়সী এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে অকপটে স্বীকার করেন, প্রথমার্ধে ব্রাজিল এতটাই অগোছালো খেলেছে যে ভাগ্য ভালো থাকায় আরও বেশি গোল হজম করতে হয়নি।
তবে বিরতির পর কৌশলগত পরিবর্তনের কারণে ব্রাজিল হার এড়াতে পেরেছে আর এই ঘুরে দাঁড়ানোই পরের ম্যাচের আগে ড্রেসিংরুমে কিছুটা আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। ব্রাজিল যে বিশ্বকাপে ‘স্বপ্নের শুরু’ পায়নি, সেটি স্বীকার করে নিয়েছেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরোও।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ২১ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিল। ১১ মিনিট পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র সমতা এনে দিলে সেই স্কোরলাইনেই ম্যাচ শেষ হয়। ম্যাচের ৮০তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামা দানিলো প্রথম ৪৫ মিনিটের পারফরম্যান্স নিয়ে বলেন, ‘প্রথমার্ধে আমরা খুবই বাজে খেলেছি। মাঠে আমাদের অবস্থান, টেকনিক, ট্যাকটিক্স—কোনো দিক থেকেই আমরা ভালো ছিলাম না।’
বোতাফোগোয় খেলা এই মিডফিল্ডারের মতে, ম্যাচের শুরু থেকে মানসিকভাবে চাপে ছিল ব্রাজিল। এতটাই বেশি যে প্রথমার্ধেই আরও গোল হজমের ঝুঁকি ছিল, ‘আমরা খুবই স্নায়ুচাপে ছিলাম, উদ্বিগ্নও ছিলাম। ফলে নিজেদের ভুলের কারণেই বারবার বিপদে পড়েছি। ভাগ্যিস, প্রথমার্ধে আরও বেশি গোল হজম করে পিছিয়ে পড়িনি।’
তবে দ্বিতীয়ার্ধ নিয়ে অনেকটাই সন্তুষ্ট দানিলো। যা এই টুর্নামেন্টে পরের ম্যাচগুলোর জন্য ব্রাজিলকে আত্মবিশ্বাস দেবে বলে মনে করেন তিনি, ‘পরের অংশে আমরা বল দখলে রাখতে পেরেছি, সুযোগও তৈরি করেছি। এ সবই পরের ম্যাচের জন্য আত্মবিশ্বাস জোগাবে।’
মিডফিল্ডার কাসেমিরোও মনে করেন দল দ্বিতীয়ার্ধে ভালো খেলেছে। এ ক্ষেত্রে ম্যাচের শুরু থেকে মরক্কোর কোনো চাপ ছিল না, বিপরীতে ব্রাজিলের মধ্যে উদ্বেগ ছিল বলে জানান তিনি। খেলা শেষে সাংবাদিকদের কাসিমেরো বলেন, ‘আমরা জানতাম ম্যাচটি কঠিন হবে, তাদের খেলোয়াড়েরাও বেশ মানসম্পন্ন। আমরা সব সময় জয় দিয়ে শুরু করতে চাই, কিন্তু এই ম্যাচটা ছিল একটি দুর্দান্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে। ম্যাচটা “স্বপ্নের মতো শুরু” ছিল না।’
ব্রাজিল তাদের পরের ম্যাচ খেলবে ২০ জুন বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ছয়টায়, প্রতিপক্ষ হাইতি।