ছবিটা ২০১৪ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার মঞ্চে। যা এখন শুধুই স্মৃতি
ছবিটা ২০১৪ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার মঞ্চে। যা এখন শুধুই স্মৃতি

এক ইউরো খরচে ব্যালন ডি’অরে ভোট দেওয়া যাবে মেসি–রোনালদোকে, যত খুশি ততবার

বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার ব্যালন ডি’অর বিজয়ী নির্বাচনে ভোট সবাই দিতে পারেন না। বর্তমানে ফিফা সদস্য দেশগুলোর নির্বাচিত সাংবাদিকেরাই শুধু এ সুযোগ পান। কিন্তু কে পেতে পারেন, কে পেয়েছেন আর কে আসলেই পাওয়ার যোগ্য ছিল, এমন আলোচনার অন্ত নেই সমর্থকদের মধ্যে।

এবার সমর্থকদের জন্যও ব্যালন ডি’অরে ভোটের সুযোগ এসেছে। তবে সে জন্য পকেট থেকে খরচ করতে হবে এক ইউরো। শুধু একবার নয়, চাইলে একই খেলোয়াড়কে যতবার খুশি ভোট দেওয়া যাবে। প্রতি ভোটের জন্য এক ইউরো দিতে হবে। ব্যতিক্রমী এই আয়োজনটি করেছে ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষই।

এই ব্যালন ডি’অরের ভোটাভুটি কিন্তু বর্তমান বা সর্বশেষ মৌসুমের জন্য নয়। এটি মূলত পুরস্কারটির ইতিহাসে সেরা জয়ী মৌসুমের ভোট। আরও স্পষ্ট করে বললে, আপনার চোখে কোন মৌসুমের বিজয়ী সত্যিকার অর্থেই বর্ষসেরা হওয়ার মতো পারফরম্যান্স করেছিলেন, সেই রায় দেওয়া।

যেমন লিওনেল মেসি ৮টি মৌসুমে পুরস্কার জিতেছিলেন, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জিতেছেন পাঁচটি মৌসুম। এ রকম আরও যাঁরা অন্তত দুবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন, তাঁদের সবাই এখানে ভোট পাওয়ার যোগ্য। আপনি রায় দেবেন কোন ফুটবলারের কোন মৌসুমটি সেরা ছিল।

ভোটাভুটিতে রয়েছেন ব্যালন ডি’অর একাধিকবার জেতা ১০ কিংবদন্তি ফুটবলার। মেসি–রোনালদো ছাড়াও আছেন রোনালদো নাজারিও, মার্কো ফন বাস্তেন, মিশেল প্লাতিনি, কার্ল-হেইঞ্জ রুমেনিগে, কেভিন কিগান, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, ইয়োহান ক্রুইফ ও আলফ্রেডো দি স্তেফানো।

ব্যালন ডি’অরের অফিশিয়াল সাইটে ভোট শুরু হয়েছে অক্টোবরের প্রথম দিকে, চলবে ২৭ অক্টোবর প্যারিসের স্থানীয় সময় মধ্যরাত পর্যন্ত।

ব্যালন ডি’অরের ৭০ বছর উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে বোট (বেস্ট অব অল টাইম’

যাঁরা ইউরো খরচ করে ভোট দেবেন, তাঁদের জন্য রয়েছে এ বছরের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের দুটি টিকিট জেতার লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ। পাশাপাশি পুরস্কারটির একটি বিশেষ ছবিও কেনা ও ডাউনলোড করা যাবে। কর্তৃপক্ষ অবশ্য বলে দিয়েছে, এই ভোটাভুটি মূলত অংশগ্রহণকারীদের পছন্দের প্রতিফলন; ফুটবল ইতিহাসের সেরা মৌসুমের চূড়ান্ত রায় নয়।

এখন পর্যন্ত ভোটে সবচেয়ে এগিয়ে রোনালদোর ২০০৮ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুম। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে সেবার প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিলেন পর্তুগিজ তারকা। প্রথমবারের মতো জিতেছিলেন ব্যালন ডি’অরও।

এরপর আছে মেসির ২০১২ সালের ব্যালন ডি’অর। সেটি ছিল তাঁর চতুর্থ বর্ষসেরার স্বীকৃতি।

ভোটের ফল যেদিকেই যাক, মেসি–রোনালদোর দীর্ঘ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন এক মাত্রা যোগ করেছে এই আয়োজন। দুজনের ভক্তদের জন্য এটি প্রিয় তারকার সেরা সময়টি বেছে নেওয়ার সুযোগ।