এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই কাঁদতে দেখা গেছে স্কালোনিকে
এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই কাঁদতে দেখা গেছে স্কালোনিকে

‘জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়েছি, বলেছি তোমাকে অনেক ভালোবাসি’

কাতারে বিশ্বকাপ জেতার পরপরই ক্যামেরাটা গিয়েছিল লিওনেল স্কালোনির দিকে। আর্জেন্টিনার কোচ তখনো ছিলেন চুপচাপ। খুব একটা আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়নি তাঁকে। কিছুক্ষণ পর অবশ্য কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন।

তবে গত বিশ্বকাপে ওই একবারই স্কালোনিকে একটু আবেগপ্রবণ হতে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই তাঁকে কাঁদতে দেখা গেছে।

আজ কানসাসে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছে আর্জেন্টিনা।

এই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি। ম্যাচের ৮০ মিনিটের সময় তাঁকে তুলে বদলি হিসেবে নিকো পাজকে নামান স্কালোনি। মেসি ডাগআউটে ফিরতেই চোখে জল দেখা যায় স্কালোনির। তাঁকে জড়িয়েও ধরেন আলবিসেলেস্তে কোচ।

ওই ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়েই ম্যাচের পর স্কালোনি বলেছেন, ‘আমি বাক্‌রুদ্ধ হয়ে গেছি। আমি তাঁকে জড়িয়ে ধরেছি, চুমু খেয়েছি, তারপর বলেছি—তোমাকে অনেক ভালোবাসি। আমি জানি না, এর বাইরে কী বলব।’

ম্যাচের ৮০ মিনিটের সময় মেসিকে তুলে নিকো পাজকে নামান স্কালোনি

এরপর স্কালোনি ভবিষ্যতের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন। মেসির বয়স এখন প্রায় ৩৯ বছর। অনেকে ভেবেছিলেন, সবকিছু জিতে যাওয়ার পর এই বিশ্বকাপটাই হয়তো খেলবেন না। কিন্তু তিনি খেলেছেন, হ্যাটট্রিকও করেছেন।

মেসিকে যে খুব বেশি সময় আর পাওয়া যাবে না, তা মনে করিয়ে দিয়ে স্কালোনি বলেছেন, ‘সে যেদিন চলে যাবে, আমরা তাঁকে মিস করব। তাই যতক্ষণ আছে, উপভোগ করি। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।’

আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে আবেগপ্রবণ হয়েছিলেন মেসিও। প্রথম গোল করার পর তাঁর চোখে পানি দেখা গিয়েছিল।

ম্যাচ শেষে তিনি অবশ্য জানিয়েছেন, কান্নার কারণটা ফুটবলের কিছু নয়, ‘সত্যি বলতে, ফুটবলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। কিছু ব্যক্তিগত কারণে গত কয়েকটা দিন আমার বেশ কঠিন কেটেছে। আমি দলের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। বরাবরের মতোই তারা সব সময় আমার পাশে ছিল। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য তারা আমাকে প্রচুর শক্তি জুগিয়েছে, ব্যস এটুকুই।’