সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমানসহ অন্য কর্মকর্তারা
সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমানসহ অন্য কর্মকর্তারা

ডেটা সেন্টারে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করল গ্রামীণফোন

সিলেটে নিজেদের ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করেছে গ্রামীণফোন। সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ৪৫০টি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে। গ্রামীণফোনের দাবি, সম্প্রতি চালু হওয়া সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাংলাদেশের যেকোনো ডেটা সেন্টারে স্থাপন করা সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে বৃহত্তম। আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে গ্রামীণফোন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্রামীণফোনের পরিচালিত অবকাঠামোজুড়ে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি। জেডটিই–এর কারিগরি সহায়তায় চালু করা কেন্দ্রটি থেকে বছরে ৩০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা বছরে প্রায় ১৮৮ টন কার্বন ডাই–অক্সাইড নির্গমন কমাবে।

সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের ধারা চলামান থাকায় আমরা এমনই একটি অবকাঠামো তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি, যা শুধু নির্ভরযোগ্য ও ভবিষ্যৎ-উপযোগীই হবে না, বরং পরিবেশের প্রতিও দায়বদ্ধ থাকবে। ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রামীণফোনের কার্বন নির্গমন ৫০ শতাংশে কমিয়ে আনার একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি আমরা।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেডটিই বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাও জুন্যং বলেন, ‘ডেটা সেন্টারের কার্যক্রমে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সোলার সলিউশন যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা কার্বন নির্গমন কমাতে সাহায্য করছি, যা গ্রামীণফোনের টেকসই লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি, এই যৌথ উদ্যোগ শিল্প খাতে একটি উদাহরণ তৈরি করবে এবং বাংলাদেশের জন্য একটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রাখবে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ টেকনোলজি অফিসার আবুল কাসেম মহিউদ্দিন আল-আমিন, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার অটো মাগনে রিসব্যাক ও চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান।