কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা

সাংবাদিকতায় এআইয়ের দায়িত্বশীল ব্যবহার নিয়ে বিআইজেএফের কর্মশালা

সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার ও মিডিয়া ইন্টিগ্রিটি নিশ্চিত করতে গতকাল শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের একটি সম্মেলনকক্ষে ‘প্র্যাকটিক্যাল এআই অ্যান্ড মিডিয়া ইন্টিগ্রিটি ওয়ার্কশপ উইথ অনার এআই’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ) আয়োজিত এ কর্মশালায় ডিপফেক শনাক্ত, কনটেন্ট (আধেয়) যাচাই এবং এআইনির্ভর টুল ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিবেদন তৈরির নানা দিক তুলে ধরা হয়। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিআইজেএফ।    

অনার বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় প্রশিক্ষক গোলাম সামদানি বলেন, প্রযুক্তি, বিশেষ করে এআই সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে প্রতিবেদন আরও বাস্তবমুখী ও যুগোপযোগী হবে। এতে সমাজ ও রাষ্ট্র উপকৃত হবে। সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী অনলাইনে প্রকাশিত খবরের প্রায় ৭০ শতাংশই ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর। এ কারণে সাংবাদিকদের আরও বেশি সতর্ক ও সচেতন হওয়া জরুরি।  

কর্মশালায় এআই কীভাবে সাংবাদিকদের কাজের গতি বাড়াতে এবং কনটেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করতে পারে, তা শেখানো হয়। পাশাপাশি অনারের এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে হাতে-কলমে বিভিন্ন বাস্তব কৌশল উপস্থাপন করা হয়। ভবিষ্যতে আসতে যাওয়া এআই ফিচার নিয়েও আলোচনা হয়, যা সাংবাদিকতার কাজকে আরও সহজ ও স্মার্ট করে তুলবে।

বিআইজেএফের সভাপতি হিটলার এ. হালিম স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ‘বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের জন্য এআই সম্পর্কে জানা বিলাসিতা নয়; বরং প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও পেশাদারত্ব রক্ষার জন্য এটি অপরিহার্য।’

কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন অনার বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ম্যানেজার মুজাহিদুল ইসলাম, হেড অব বিজনেস আবদুল্লাহ আল মামুন ও বিআইজেএফের জ্যেষ্ঠ সদস্য মেহেদী হাসান। তাঁরা সাংবাদিকতায় এআইয়ের ভূমিকা, ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির সম্ভাবনা এবং অনারের উদ্ভাবন কীভাবে সাংবাদিকদের কর্মদক্ষতা ও কনটেন্টের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারে, তা তুলে ধরেন।