
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) ধারণা প্রতিযোগিতা ‘ফিউচারমেকারস’ আয়োজন করছে গ্রামীণফোন। দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি করতে হবে। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে গ্রামীণফোন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তরুণদের দায়িত্বশীল ও সৃজনশীলভাবে এআই ব্যবহার করে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন সমাধান খুঁজে বের করতে উৎসাহিত করা হবে। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরে যে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমাধানভিত্তিক ধারণা আহ্বান করা সেগুলো হচ্ছে— ‘ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও শিক্ষা’, ‘স্বাস্থ্যসেবা ও মানসিক সুস্থতা, ‘দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ’, ‘লিঙ্গসমতা ও অন্তর্ভুক্তি’, ‘পরিবেশের ভারসাম্য ও জলবায়ু মোকাবিলা’ এবং ‘নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও তথ্যের গোপনীয়তা’।
গ্রামীণফোনের তথ্যমতে, আগ্রহী শিক্ষার্থীরা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ পরিচয়পত্র ব্যবহারে ব্যক্তিগত বা সর্বোচ্চ তিন সদস্যের দল গঠন করে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত ধারণাগুলো পরবর্তী ধাপে আরও উন্নত ও পরিমার্জিত করার সুযোগ পাবেন অংশগ্রহণকারীরা। পরে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে উদ্ভাবনী ধারণাগুলোর মধ্য থেকে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে। বিজয়ীরা অর্থ পুরস্কারের পাশাপাশি গ্রামীণফোনের বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণে অগ্রাধিকার পাবেন।
গ্রামীণফোনের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বলেন, ‘এআই যেভাবে আমাদের শেখা, সৃষ্টি, উদ্ভাবন ও সমস্যা সমাধানের পদ্ধতিকে ক্রমেই পরিবর্তন করছে, তাতে এ প্রযুক্তিকে বুঝে কার্যকরভাবে ব্যবহার করার সক্ষমতা আজকের ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফিউচারমেকারস এবং এ বছরের প্রতিপাদ্য “সামাজিক কল্যাণে এআই”–এর মাধ্যমে আমরা তরুণদের কেবল এআই ব্যবহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব সমস্যার সমাধান ও ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে কীভাবে দায়িত্বশীলভাবে এটি প্রয়োগ করা যায়, তা খুঁজে বের করতে অনুপ্রাণিত করতে চাই।’