ই-রিটার্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঘরে বসেই মুঠোফোন বা ল্যাপটপের মাধ্যমে কয়েক মিনিটে রিটার্ন জমা দিতে পারেন করদাতারা
ই-রিটার্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঘরে বসেই মুঠোফোন বা ল্যাপটপের মাধ্যমে কয়েক মিনিটে রিটার্ন জমা দিতে পারেন করদাতারা

করসেবা উন্নত করতে কাজ করছে দেশি সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান

মার্চ মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে টিআইএন বা কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী নিবন্ধিত করদাতার সংখ্যা ১ কোটি ২০ লাখের (১২ মিলিয়ন) বেশি। তবে এর মধ্যে নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ করবর্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনলাইন মাধ্যমে প্রায় ৪০ লাখ করদাতা তাঁদের ই-রিটার্ন জমা দিয়েছেন। (প্রথম আলো, মার্চ ২০২৬) এখন একজন করদাতা ঘরে বসেই মুঠোফোন বা ল্যাপটপে কয়েক মিনিটে রিটার্ন জমা দিচ্ছেন। সঙ্গে সঙ্গে পেয়ে যাচ্ছেন কর সনদ ও প্রাপ্তিস্বীকারপত্র। কর অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, নেই লাইনে দাঁড়ানোর ঝক্কি। এই রূপান্তরের কেন্দ্রে রয়েছে দেশি প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি লিমিটেডের তৈরি ই-রিটার্ন সফটওয়্যার। সিনেসিস আইটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করছে।

২০২৫-২৬ করবর্ষ থেকে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার পর সিনেসিস আইটির প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তি করদাতাদের শতভাগ রিটার্ন সম্পন্ন হয়েছে। দেশের কর প্রশাসনের দীর্ঘ ইতিহাসে এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল রিটার্ন বাস্তবায়ন। ২০২৬ সালে ই-রিটার্ন সিস্টেমে রিটার্ন জমা পড়েছে ৫০ লক্ষাধিক করদাতার, যার পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। এটি শুধু একটি সফটওয়্যারের সাফল্য নয়, এটি প্রশাসনিক সংস্কার, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দেশি উদ্ভাবনের এক যুগান্তকারী উদাহরণ।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশন টু বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার (পাবলিক ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট) কিশোয়ার আমিন বলেন, ব্যক্তিগত করদাতাদের জন্য অনলাইন ই-রিটার্ন দাখিল ব্যবস্থা বাংলাদেশে কর পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি ঘটিয়েছে। এই সাফল্যের জন্য এনবিআরকে অভিনন্দন। এই ব্যবস্থা উন্নয়নে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এনবিআরকে আর্থিক সহায়তাসহ কারিগরি সহায়তা প্রদান করেছে। আর সিস্টেমটি ডেভেলপ করেছে দেশি প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি। এই ডিজিটাল ব্যবস্থা কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি করে। এই সিস্টেমে আরও যে সুবিধা আছে, যেমন করদাতারা তাৎক্ষণিক প্রাপ্তিস্বীকারপত্র, টিআইএন-সম্পর্কিত পরিষেবা এবং অনলাইন পেমেন্টের সুবিধাও পেতে পারেন, যা প্রক্রিয়াটিকে আরও সুবিধাজনক ও ব্যবহারবান্ধব করে তুলেছে। ডিজিটাল রেকর্ড সরকারকে আরও কার্যকরভাবে কর পরিপালন শনাক্ত করতে এবং দুর্নীতি ও কর ফাঁকির সুযোগ কমাতে সাহায্য করে। ই-রিটার্ন ব্যবস্থা বাংলাদেশে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা (পিএফএম) ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখছে। এটি রাজস্ব আদায়ের দক্ষতা উন্নত করে, তথ্যের নির্ভুলতা বাড়ায় এবং উন্নত আর্থিক প্রতিবেদন ও পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে।

বাংলাদেশে করব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশনের চেষ্টা নতুন নয়। গত এক দশকে একাধিক বিদেশি প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এনবিআর কর প্রশাসন আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয়। প্রতিটি প্রকল্পে ব্যয় হয় শত শত কোটি টাকা, কিন্তু ফলাফল ছিল হতাশাজনক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর অধ্যাপক খালেদ মাহমুদ বলেন, বিদেশি অনেক কোম্পানি বাংলাদেশের করকাঠামো, প্রশাসনিক বাস্তবতা ও স্থানীয় ব্যবহারকারীদের আচরণ যথাযথভাবে বুঝতে পারেনি। ভাষাগত সীমাবদ্ধতা, জটিল কাস্টমাইজেশন, ধীর রক্ষণাবেক্ষণ ও বিদেশনির্ভর প্রযুক্তিগত সহায়তা পুরো উদ্যোগকে অকার্যকর করে তোলে। ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও করদাতারা আটকে ছিলেন পুরোনো ম্যানুয়াল ব্যবস্থার মধ্যেই। সেখানে দেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

দেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কারিগরি সহায়তায় পরিচালিত একটি প্রকল্পের আওতায় দায়িত্ব দেওয়া হয় দেশি প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটিকে। প্রায় ১০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের আওতায় ই-রিটার্ন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি। সাত শতাধিক প্রযুক্তি পেশাজীবী নিয়ে গড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারের বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা খাতে কাজ করছে। ২০১৩ সালে সিনেসিস আইটি তৈরি করে ই-টিন সিস্টেম। ই-টিন সিস্টেম দেশে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর নিবন্ধনের প্রথম বড় ডিজিটাল উদ্যোগ। পরবর্তী সময় ই-রিটার্ন এবং ইএফডিএমএস প্রকল্পের মাধ্যমে কর ও ভ্যাট ব্যবস্থাপনাকেও ডিজিটাল রূপ দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

শুধু কর প্রশাসন নয়, দেশের আরও বহু গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সেবার পেছনেও রয়েছে সিনেসিস আইটির প্রযুক্তি। বিটিআরসির বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন প্ল্যাটফর্ম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ টেলিহেলথ সেবা, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ন্যাশনাল জব পোর্টাল, এটুআইয়ের ৩৩৩ কল সেন্টার ও একপে প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে সিনেসিস আইটি। এসব কাজের জন্য আইটিউ টেলিকম পুরস্কার, উইটসা গ্লোবাল আইসিটি এক্সসিলেন্স পুরস্কার, ডব্লিউসিস চ্যাম্পিন পুরস্কার পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ই-রিটার্ন প্ল্যাটফর্ম

ই-রিটার্ন প্ল্যাটফর্ম

ই-রিটার্ন প্ল্যাটফর্মটির নকশা বেশ ব্যবহারবান্ধব। প্ল্যাটফর্মটিতে প্রবেশ করলেই একজন করদাতা ধাপে ধাপে রিটার্ন পূরণের নির্দেশনা পান। বৈধ টিআইএন নম্বর ও বায়োমেট্রিক নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বর দিয়ে লগইনের পর আয়ের উৎস, ব্যাংক সুদ, সঞ্চয়পত্র, বিনিয়োগ, সম্পদ, দায়, জীবনযাত্রার ব্যয়সহ সব তথ্য সহজভাবে পূরণ করা যায়। রিটার্ন জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাওয়া যায় ডিজিটাল রিসিপ্ট ও কর সনদ, যা বিভিন্ন সরকারি ও আর্থিক সেবায় তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব। গ্রামীণ ও প্রান্তিক করদাতাদের কথাও বিবেচনায় রেখে প্ল্যাটফর্মটিতে স্মার্টফোন থেকেই রিটার্ন জমা দেওয়া যায়। দুর্বল ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে অফলাইনে তথ্য পূরণ করে পরে আপলোডের সুবিধা। যেকোনো সমস্যায় সহায়তার জন্য রয়েছে ডেডিকেটেড হেল্পডেস্কও। প্রযুক্তিগতভাবে প্ল্যাটফর্মটি নির্মিত হয়েছে মাইক্রোসার্ভিস ও স্কেলেবল আর্কিটেকচারে। ফলে কর মৌসুমে লাখ লাখ ব্যবহারকারী একই সময়ে প্রবেশ করলেও সিস্টেম স্থিতিশীল থাকে। প্রশাসনের জন্য রয়েছে রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড, বিশ্লেষণী প্রতিবেদন ও তৃতীয় পক্ষের তথ্য সমন্বয়ের সক্ষমতা। এটি কেবল রিটার্ন জমা দেওয়ার সফটওয়্যার নয়, এটি বাংলাদেশের কর ব্যবস্থাপনার পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল অবকাঠামো।

নাগরিকদের অভাবনীয় সাড়া

ই-রিটার্নের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা গত কয়েক বছরে নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। ২০২৩-২৪ করবর্ষে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছিলেন মাত্র ৫ লাখ ২৭ হাজার করদাতা। পরের বছর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ লাখ ১২ হাজারে, ১ বছরে প্রায় ২২৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি। বর্তমানে ই-রিটার্নে নিবন্ধিত করদাতার সংখ্যা ২১ লাখ ৬৫ হাজার ছাড়িয়েছে। আর ব্যক্তি করদাতাদের শতভাগ রিটার্ন সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উপকৃত মানুষের সংখ্যা ৬৫ লাখ ছাড়িয়েছে। ই-রিটার্ন চালুর পর সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে কর প্রশাসনের কার্যকারিতায়। তৃতীয় পক্ষের তথ্য সমন্বয়ের ফলে অনিবন্ধিত ব্যবসা ও কর ফাঁকি শনাক্ত করা সহজ হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় মূল্যায়ন ব্যবস্থা কমেছে সময় ও প্রশাসনিক ব্যয়। একই সঙ্গে স্বেচ্ছায় কর পরিপালনের সংস্কৃতিও শক্তিশালী হচ্ছে। আগে যেখানে একজন করদাতাকে রিটার্ন পূরণে পেশাদার সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হতো, এখন সহজ ডিজিটাল ইন্টারফেস ও ধাপে ধাপে নির্দেশনার কারণে অনেকেই নিজেরাই রিটার্ন দাখিল করতে পারছেন। গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের করদাতারা এখন রাজধানীকেন্দ্রিক সেবার বৈষম্য ছাড়াই সমান সুযোগ পাচ্ছেন। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কর সেবা নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে।

আইনের বাধ্যবাধকতা, প্রযুক্তির পরীক্ষা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, আয়কর আইন ২০২৩ অনুসারে বর্তমানে ৪৩ ধরনের সেবা গ্রহণে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে রয়েছে, ব্যাংক হিসাব পরিচালনা, ব্যবসায়িক লাইসেন্স নবায়ন, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, ভূমিসংক্রান্ত সেবাসহ বিভিন্ন আর্থিক অনুমোদন। ফলে ই-রিটার্ন প্ল্যাটফর্ম এখন কেবল করব্যবস্থার অংশ নয়, এটি নাগরিক সেবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। এমন পরিস্থিতিতে প্ল্যাটফর্মের নিরবচ্ছিন্ন কার্যকারিতা ছিল বড় পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় দেশি প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে। ব্যক্তি করদাতাদের শতভাগ অনলাইন রিটার্ন সম্পন্ন হলেও ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রা এখানেই শেষ নয়। আগামী করবর্ষ থেকেই ই-রিটার্ন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে যাচ্ছে করপোরেট রিটার্ন ব্যবস্থা। ফলে কোম্পানি, অংশীদারি প্রতিষ্ঠান ও ট্রাস্টগুলোও ধীরে ধীরে পূর্ণ ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আসবে। একই সঙ্গে পরিকল্পনায় রয়েছে ডিজিটাল অডিট মডিউল, অনলাইন নোটিশ ও যাচাই ব্যবস্থা, স্মার্ট অফিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ফাইল ট্র্যাকিং ও কর্মদক্ষতা পর্যবেক্ষণ প্ল্যাটফর্ম। এই তিন স্তম্ভ—অনলাইন রিটার্ন, ডিজিটাল অডিট ও স্মার্ট অফিস ব্যবস্থাপনা, একত্র হলে বাংলাদেশের কর প্রশাসন একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে রূপ নেবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রূপান্তর সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক ডিজিটাল ট্যাক্স প্রশাসন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

সিনেসিস আইটির চিফ সলিউশন অফিসার আমিনুল বারী বলেন, ‘বাংলাদেশে ডিজিটাল রূপান্তরের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নাগরিককেন্দ্রিক সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় ডেটার নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করা। এই প্রেক্ষাপটে ই-রিটার্ন প্ল্যাটফর্মের সাফল্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ, যা প্রমাণ করেছে, দেশীয় প্রযুক্তি ও স্থানীয় দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত সমাধান শুধু কার্যকরই নয়, বরং জাতীয় পর্যায়ে টেকসই ও কৌশলগতভাবে অধিক নিরাপদ। এই অর্থবছরে শতভাগ রিটার্ন অনলাইনে দাখিল হয়েছে, যেটি দেশি প্রযুক্তির জন্য বড় মাইলফলক বলে আমরা মনে করি। ই-রিটার্নের মতো একটি বৃহৎ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সফল বাস্তবায়ন দেখিয়েছে যে দেশের বাস্তবতা, কর প্রশাসনের জটিলতা, নাগরিকের ব্যবহারিক আচরণ এবং স্থানীয় নীতিগত কাঠামো দেশি প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞেরা সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝতে পারে। আর তাই দেশের ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে হলে কেবল অবকাঠামো নয়, বরং স্থানীয় দক্ষতা, স্থানীয় উদ্ভাবন এবং দেশীয় প্রযুক্তি ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করা অপরিহার্য। ই-রিটার্ন সেই সক্ষমতার একটি বাস্তব এবং সফল উদাহরণ।’