গ্রিনল্যান্ডের নুকে একটি পানশালায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সময় কাজ করছেন এক কর্মী। ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
গ্রিনল্যান্ডের নুকে একটি পানশালায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সময় কাজ করছেন এক কর্মী। ২৪ জানুয়ারি ২০২৬

ঝড়ে রাতে বিদ্যুৎহীন হয় গ্রিনল্যান্ড, পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক

একটি শক্তিশালী ঝড়ে ট্রান্সমিশনের তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। এতে শহরের হাজারো বাসিন্দাকে শনিবার প্রচণ্ড শীতের ভেতর রাত কাটাতে হয়। রোববার ভোরে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হওয়ার কথা জানায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শনিবার রাতে হঠাৎ করে নুক শহরজুড়ে বিদ্যুৎ–সংযোগ চলে যায়। নুকের বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান নুকিসসিয়োরফিট জানায়, রাজধানীর দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত বুকসেফজর্ড হাইড্রোপাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে রোববার ভোর সাড়ে চারটায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডের বাসিন্দাদের কাছে বিদ্যুৎ–বিভ্রাট খুব অপরিচিত ঘটনা নয়। সাধারণত তীব্র আবহাওয়ার কারণে বিদ্যুতের তার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এই তারটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা পার হয় এবং দুটি সমুদ্রের খাঁড়ির ওপর দিয়ে শহরে পৌঁছায়।

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মাত্র তিন দিন আগে গ্রিনল্যান্ডের সরকার নাগরিকদের যেকোনো সংকট মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি  নির্দেশনা জারি করে। তাতে পাঁচ দিনের খাদ্য ও পানীয় জল মজুত রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশের পর এ নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সরকারের এমন নির্দেশনা আসে।