
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বৃহস্পতিবার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরান যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়ালেও মধ্যপ্রাচ্যে (ইরানে) মার্কিন সেনা মোতায়েন করার কোনো পরিকল্পনা তাঁর নেই।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমি কোথাও সেনা পাঠাচ্ছি না। যদি পাঠাতামও, তবে নিশ্চিতভাবেই আমি আপনাদের তা জানাতাম না। কিন্তু আমি সেনা পাঠাচ্ছি না।’
ইরানের অস্ত্র কর্মসূচি নির্মূল করতে যুক্তরাষ্ট্র কত দূর পর্যন্ত যাবে, তা নিয়ে পর্যালোচনা চলার মধ্যে ট্রাম্পের এ মন্তব্য এল।
গত গ্রীষ্মে এক সামরিক অভিযানের পর ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়া হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো পারমাণবিক সরঞ্জাম চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করার বিষয় আলোচনায় রয়েছে। এ ধরনের কোনো অভিযান চালাতে হলে ইরানে বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রয়োজন হতে পারে।
গত গ্রীষ্মে এক সামরিক অভিযানের পর ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়া হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো পারমাণবিক সরঞ্জাম চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করার বিষয় আলোচনায় রয়েছে। এ ধরনের কোনো অভিযান চালাতে হলে ইরানে বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রয়োজন হতে পারে।
তবে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টিকেও বিবেচনায় রাখছে। যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এমনটা হলে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় মার্কিন সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে ইরানে স্থল সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি ট্রাম্প। ইরান যুদ্ধ শুরুর ঠিক কয়েক দিন পর নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘যদি প্রয়োজন হয়’ তবে ইরানে মার্কিন স্থল সেনা পাঠাতে তাঁর আপত্তি নেই।
চলতি মাসের শুরুর দিকে ইরানে স্থল সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি ট্রাম্প। ইরান যুদ্ধ শুরুর ঠিক কয়েক দিন পর নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘যদি প্রয়োজন হয়’ তবে ইরানে মার্কিন স্থল সেনা পাঠাতে তাঁর আপত্তি নেই।
ট্রাম্প আরও বলেছিলেন, ‘অন্যান্য প্রেসিডেন্টের মতো আমি বলছি না যে সেখানে কোনো মার্কিন সেনা (বুটস অন দ্য গ্রাউন্ড) থাকবে না। আমি শুধু বলছি, সম্ভবত তাদের প্রয়োজন নেই, তবে যদি প্রয়োজন পড়ে (তবে পাঠানো হতে পারে)।’
চলতি মাসের শুরুতে ইরানে মার্কিন স্থল সেনা মোতায়েন আছে কি না জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ‘না’ সূচক জবাব দেন। তবে তিনি এ-ও বলেন যে সরকার ঠিক কত দূর পর্যন্ত যাবে, তা প্রকাশ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে—এমনটা আশা করা ‘বোকামি’।