যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ ঘাঁটিতে প্রেসিডেন্টের বিশেষ উড়োজাহাজ ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’-এ উঠছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৭ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ ঘাঁটিতে প্রেসিডেন্টের বিশেষ উড়োজাহাজ ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’-এ উঠছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৭ আগস্ট ২০২৬

ইরানের সঙ্গে কেবল ‘আংশিক দর-কষাকষি’ করছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ‘কেবল আংশিক দর-কষাকষি’ করছে। কারণ, অর্থনৈতিক চাপ সামলাতে তেহরান কতটা হিমশিম খাচ্ছে, তা এখন তারা পর্যবেক্ষণ করছে। রোববার নিউজ ওয়েবসাইট অ্যাক্সিওসের সঙ্গে এক ফোনালাপে ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন এখন এ বিষয়ে ‘তেমন কোনো প্রচার’ ছাড়াই এগিয়ে নেওয়ার নীতিতে অবস্থান নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে কেবল অর্ধেক দর-কষাকষি করছি। আমরা শুধু ইরানকে দেখছি, তাদের বিশাল মূল্যস্ফীতি রয়েছে এবং তাদের হাতে কোনো টাকা নেই।’

ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণেই ইরান এখন ‘খুবই খারাপ অবস্থায়’ পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে বলেন, সরাসরি যুদ্ধ চলাকালে তেহরান হয়তো সাময়িকভাবে যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব এড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু এখন যেহেতু হামলা বন্ধ আছে, তাই বাধ্য হয়েই তাদের নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থার কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আর এর কোনো সহজ সমাধানও তাদের হাতে নেই।

হরমুজ প্রণালি

হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার চুক্তি চূড়ান্ত করতে তেহরানের দ্বিধা

অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ওমানের সঙ্গে জলপথটি পুনরায় খুলে দেওয়ার চুক্তি চূড়ান্ত করতে তেহরানের অনিচ্ছার বিষয়ে ট্রাম্প কোনো হতাশা প্রকাশ করেননি।

ট্রাম্প বলেন, ‘সব ঠিক হয়ে যাবে। সব সময় ঠিক হয়েই যায়। এটা অনেকটা দাবা খেলার মতো।’

এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ প্রধান মোহাম্মদ বাঘের জোলকাদর বেশ কয়েকটি শর্তের কথা তুলে ধরেছিলেন। ওমান-ইরান চুক্তি এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রকে এসব শর্ত মেনে চলার দাবি জানিয়েছে তারা।

এসব দাবির মধ্যে রয়েছে—ইরানকে হুমকি দেওয়া বা অপমান করা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বিরত থাকতে হবে। সেই সঙ্গে ইরানের মিত্রদের সঙ্গে সব যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে, নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে এবং ইরানের আটকে থাকা সব তহবিল ছেড়ে দিতে হবে।