ওমানের মুসান্দাম থেকে দেখা যাচ্ছে হরমুজ প্রণালির কাছে জাহাজের আনাগোনা। ৩১ আগস্ট ২০২৬
ওমানের মুসান্দাম থেকে দেখা যাচ্ছে হরমুজ প্রণালির কাছে জাহাজের আনাগোনা। ৩১ আগস্ট ২০২৬

সিএনএনের বিশ্লেষণ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপে পিছু হটবে না ইরান, নেপথ্যে কী

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এক মাস ধরে থেমে থাকা সংঘাতের অবসান ঘটেছে। চলতি সপ্তাহে দুই পক্ষ আবার পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়েছে। এতে পুরো অঞ্চল আবারও এক বিপজ্জনক ও দীর্ঘ মেয়াদে সামরিক অচলাবস্থায় পড়েছে।

মার্কিন বাহিনী গত মঙ্গলবার ইরানে আবার হামলা চালায়। জবাবে তেহরান জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানে। ইরান পাল্টাহামলা চালালে ‘আরও কঠোর আঘাত’ করা হবে বলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন। তবে তেহরান সেই হুঁশিয়ারি তোয়াক্কা করেনি।

সর্বশেষ এ হামলার এক মাসের বেশি আগে দুই পক্ষ পরস্পরের ওপর নতুন করে ব্যাপক আক্রমণ চালায়। তবে সাম্প্রতিকতম হামলা ছিল বেশ সীমিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর মধ্য দিয়ে বোঝা যায়, কোনো পক্ষই এখন সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়াতে আগ্রহী নয়।

ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার ইরান শাখার সাবেক প্রধান ড্যানি সিতরিনোভিচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘এখন পর্যন্ত দুই পক্ষই বেসামরিক নাগরিক বা জ্বালানি অবকাঠামোর চেয়ে সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা চালাচ্ছে। শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের হুমকি সত্ত্বেও তেহরান সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর নতুন করে হামলা শুরু করেনি।’

ট্রাম্পের বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথার বাইরে ইরান যুদ্ধের আর্থিক ধাক্কা এখন সাধারণ মার্কিন নাগরিকেরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। এ যুদ্ধ নিয়ে জনগণের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুলাই পর্যন্ত এ যুদ্ধে ওয়াশিংটনের প্রায় ৪ হাজার কোটি ডলার খরচ হয়েছে।

এরপরও বর্তমান পরিস্থিতি খুব বিপজ্জনক। এখানে যেকোনো ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকি রয়েছে। ফলে উভয় পক্ষ আবারও সর্বাত্মক সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের (আইসিজি) ইরানবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক হামিদরেজা আজিজি সিএনএনের বেকি অ্যান্ডারসনকে বলেন, ‘কোনো পক্ষই সর্বাত্মক যুদ্ধে ফিরতে চায় না।’ তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের বাধার সৃষ্টি ও দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ—উভয় পক্ষের জন্যই ক্রমশ অসহনীয় হয়ে উঠছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে মোটেও আগ্রহী নন। ট্রাম্প বলেন, ‘তারা যদি কোনো অর্থহীন চুক্তি সই করে, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।’ তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থান আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।

কোনো পক্ষই সর্বাত্মক যুদ্ধে ফিরতে চায় না। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের বাধার সৃষ্টি ও দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ—উভয় পক্ষের জন্যই ক্রমশ অসহনীয় হয়ে উঠছে।
হামিদরেজা আজিজি, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরানবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক

তবে এসব কথার বাইরে যুদ্ধের আর্থিক ধাক্কা এখন সাধারণ মার্কিন নাগরিকেরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। এ যুদ্ধ নিয়ে জনগণের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুলাই পর্যন্ত এ যুদ্ধে ওয়াশিংটনের প্রায় ৪ হাজার কোটি ডলার খরচ হয়েছে।

ইরানে যুদ্ধের প্রভাব আরও অনেক বেশি মারাত্মক। দেশটি তেল বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছে। এর ওপর তাদের আগে থেকেই বিপর্যস্ত অর্থনীতির ওপর যুক্তরাষ্ট্র বাড়তি চাপ তৈরি করছে। ইরানের অস্ত্রের মজুতও কমে আসছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া দেশটির সাধারণ মানুষ খাদ্য ও ওষুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পেতে হিমশিম খাচ্ছে।

ইরানের তেহরানের আজাদি স্কয়ারে একটি ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার পাশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবিযুক্ত ব্যানার। ৩০ জুলাই ২০২৬

যুদ্ধ ভাবিয়ে তুলেছে মার্কিনদের

ট্রাম্প প্রশাসন হয়তো ভাবছে, তারা হরমুজ প্রণালিতে জয় পেয়েছে। ইরানে অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই মার্কিন কর্মকর্তা দাবি করেন, মঙ্গলবার মার্কিন বাহিনী ১ কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল তেলবাহী ৪০টি বাণিজ্যিক জাহাজ পাহারা দিয়ে প্রণালি পার করেছে। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই ছিল সর্বোচ্চ সংখ্যায় জাহাজের এ প্রণালি পারি দেওয়ার ঘটনা।

এদিকে যুদ্ধের প্রভাব কমাতে ট্রাম্প প্রশাসন জরুরি ভিত্তিতে সংরক্ষিত তেল বাজারে ছাড়ছে। ফলে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি কৌশলগত তেলের মজুত ১৯৮৩ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে।

তবে এতে সার্বিক পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমলেও তা এখনো অনেক চড়া।

আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন পেট্রলের গড় দাম দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৪ ডলার। এক বছর আগেও এ দাম ছিল ৩ দশমিক ১৯ ডলার।

এদিকে যুদ্ধের প্রভাব কমাতে ট্রাম্প প্রশাসন জরুরি ভিত্তিতে সংরক্ষিত তেল বাজারে ছাড়ছে। ফলে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি কৌশলগত তেলের মজুত ১৯৮৩ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে।

গত বৃহস্পতিবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ইরান যুদ্ধ অবসানের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে পারেননি। এমনকি তেলের দাম কবে নাগাদ যুদ্ধের আগের পরিস্থিতিতে ফিরবে, সে বিষয়েও কোনো আশ্বাস দিতে পারেননি। উল্টো ইঙ্গিত দেন, এ সংঘাত বন্ধ করা এখন সম্পূর্ণ ইরানের ওপর নির্ভর করছে।

সামরিক দিক থেকে, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুতও দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। দেশটি ব্যাপকভাবে ব্যয়বহুল সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র গত মাসে সিএনএনকে জানিয়েছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে খরচ করে ফেলেছে।

অস্ত্র মজুতের প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের ‘থাড’ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পাঁচ ভাগের চার ভাগই ব্যবহার করে ফেলেছে। এছাড়া তাদের কাছে থাকা ‘প্যাট্রিয়ট’ ইন্টারসেপ্টরের প্রায় অর্ধেকই শেষ হয়ে গেছে।

পরে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘বিপুল পরিমাণ’ গোলাবারুদ রয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন যে কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্রের সরবরাহে কিছুটা টান পড়েছে।

আবার সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ট্রাম্পের সামগ্রিক জনপ্রিয়তা বেশ কমেছে। ইরান সংকট মোকাবিলায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে বহু মানুষ অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।

গত সোমবার প্রকাশিত ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস (ইউম্যাস) আমহার্স্টের এক জরিপে দেখা গেছে, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মার্কিন নাগরিক ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার পদ্ধতির বিপক্ষে। জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের প্রতি সামগ্রিক জনসমর্থন কমে ৩২ শতাংশে নেমে এসেছে।

ইরানের সাম্প্রতিক আচরণ এবং মার্কিন হামলার পর তাদের দ্রুত ও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখে বোঝা যায়, তেহরান মাথা নত করার চেয়ে পাল্টাজবাব দেওয়াকেই বেছে নিয়েছে।

পেন্টাগনপ্রধানের জন্য তৈরি একটি সাম্প্রতিক মূল্যায়নের বরাতে গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন পোস্ট একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, বেশ কয়েকজন মার্কিন সামরিক কমান্ডার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে সতর্ক করেছেন।

কমান্ডাররা বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান দীর্ঘায়িত করা অসম্ভব এবং এতে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের হুমকি মোকাবিলার মার্কিন সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। তবে সিএনএন স্বাধীনভাবে ওই প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

ইরান কেন সংঘাত বাড়াতে পারে

এদিকে ইরানে আগে থেকেই সংকটে থাকা অর্থনীতি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

ইরানের সরকার-ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতি ‘উদ্বেগজনক পর্যায়ে’ পৌঁছেছে। বহু শ্রমজীবী পরিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছে।

ইরানিয়ান লেবার নিউজ এজেন্সির (আইএলএনএ) হিসাবে, গত জুলাই পর্যন্ত বিগত ১২ মাসে ইরানে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৬৬ শতাংশে।

যুক্তরাষ্ট্রের মতোই ইরানের অস্ত্রের মজুতও দ্রুত কমে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ইরানবিষয়ক বিশেষজ্ঞ আরাশ আজিজি বলেন, ইরানের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ‘বর্তমান শাসকগোষ্ঠী জানে যে পুরোপুরি আত্মসমর্পণ করলে তাদের সরকারের পতন ঘটতে পারে।’

এই বাস্তবতায় তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও হামলা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। তারা ভাবছে, অনির্দিষ্টকাল এ অর্থনৈতিক চাপ সহ্য করা সম্ভব নয় এবং চলমান অচলাবস্থা ভাঙা জরুরি।

আইসিজির গবেষক হামিদরেজা আজিজি বলেন, ইরানের সাম্প্রতিক আচরণ এবং মার্কিন হামলার পর তাদের দ্রুত ও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখে বোঝা যায়, তেহরান মাথা নত করার চেয়ে পাল্টাজবাব দেওয়াকেই বেছে নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে যে একতরফা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন, তেহরানের পক্ষে তা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।

সিতরিনোভিচ নামের একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘গত কয়েক দিনের ঘটনা হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট করেছে। পাশাপাশি বর্তমান সংঘাত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কৌশলের মধ্যকার মৌলিক অমিলও উন্মোচন করেছে।’

সিতরিনোভিচ এক্সে লেখেন, ওয়াশিংটন সরাসরি সামরিক সংঘাত এড়িয়ে শুধু অর্থনৈতিক অবরোধের মধ্যে লড়াই সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছে। বিপরীতে ইরান সম্পূর্ণ উল্টো কৌশল নিয়েছে।

ইরানের তেহরানের একটি সড়কের পাশে দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেয়ালচিত্রের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক নারী। ১৩ আগস্ট ২০২৬

এ বিশ্লেষক আরও বলেন, ‘ইরান তেলবাহী জাহাজের যাতায়াত ব্যাহত করা অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে প্রণালিতে আধিপত্য বিস্তারে মার্কিন চেষ্টাকে তারা চ্যালেঞ্জ জানাতে থাকবে।’

ইরান বারবার বলে আসছে, ওয়াশিংটন যদি গত জুনের সমঝোতা স্মারকের প্রতিশ্রুতিতে ফিরে আসে, তবে তারাও আলোচনার টেবিলে বসতে প্রস্তুত।

মঙ্গলবার কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলছি, যুক্তরাষ্ট্র যদি সমঝোতা স্মারকের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে, তবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানও অবিলম্বে একই পদক্ষেপ নেবে।’

তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশ সন্তুষ্ট।

মার্কিন হামলার জবাবে ইরান পাল্টা–আঘাত হানার পর মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘আমি ইরানকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করার চেষ্টা করছি না। হরমুজ প্রণালিতে আমাদের প্রায় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং তাদের অর্থনীতির পুরোপুরি ধস নামার ফলে আমাদের বর্তমান অবস্থান আগের চেয়ে অনেক ভালো।’

সিতরিনোভিচ এক্সে লিখেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় পক্ষই ‘অনিয়ন্ত্রিত সংঘাতের ঝুঁকি বোঝে’, তা সত্ত্বেও তারা সংঘাত বাড়িয়ে চলেছে। তিনি মন্তব্য করেন, ‘সমস্যা হলো, এই ভারসাম্য বেশি দিন বজায় রাখা সম্ভব নয়।’