ইন্টারনেটের প্রসার বাড়লেও বিশ্বজুড়ে এর ব্যবহারে মানুষের স্বাধীনতা টানা পাঁচ বছর ধরে কমেছে। অনলাইনে নজরদারি করে—এমন দেশের সংখ্যা বেড়েছে। এ তথ্য গতকাল বুধবার প্রকাশিত এক জরিপ প্রতিবেদনের। খবর এএফপির।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি পর্যবেক্ষক সংগঠন ফ্রিডম হাউসের বার্ষিক জরিপ প্রতিবেদন ‘ফ্রিডম অব দ্য নেট ২০১৫’-এ ওই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ব্লগ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্নমত প্রকাশকারী ব্যক্তিদের ওপর সরকারি দমন-পীড়ন বেড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে ইন্টারনেট স্বাধীনতা পরিস্থিতির অবনতি বিশেষভাবে নজরে পড়ে। ২০১৪ সালের জুন থেকে এ পর্যন্ত মোট ৬৫টি দেশের মধ্যে ৩২টি দেশে অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কমেছে। এদের মধ্যে লিবিয়া, ফ্রান্স ও ইউক্রেনের অবনতি ‘বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য’।
ফ্রিডম হাউসের গবেষকেরা বলেন, বিশ্বের ৬১ শতাংশ মানুষ এমন সব দেশে বাস করে, যেখানে সরকার, সামরিক বাহিনী বা ক্ষমতাসীন ব্যক্তির পরিবারের সমালোচনার ওপর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। আর ৫৮ শতাংশ মানুষ এমন দেশে বাস করে, যেখানে অনলাইনে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় বিষয়ে মতামত জানিয়ে কারাবন্দী হতে হয়। গুগল, ফেসবুক ও টুইটারে প্রকাশিত নানা তথ্য সরিয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন দেশের সরকার সেখানকার ব্যক্তি ও বেসরকারি খাতগুলোর ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।